অনলাইন ক্লাস: শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের যা জানা দরকার

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০ | আপডেট: ৮:৩১:অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশে শিক্ষার পরিবেশ বদলে গেছে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের কোনও বিকল্প নেই। আর করোনার পরও এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের জন্য একেবারেই নতুন। ফলে এই পদ্ধতির সঙ্গে শিক্ষার্থী এবং অভিভাকদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি ব্যাপার রয়েছে। তাছাড়া অনলাইন ক্লাসের আরো কিছু জরুরি বিষয় রয়েছে, যা জানা থাকা ভালো।

ক্লাসের মতই গুরুত্ব দিন

অনলাইন ক্লাস বলে অবহেলা করা কিংবা ক্লাসে বসে বার বার ওঠা-বসা করা প্রমাণ করে আপনার সন্তান ক্লাসকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। সন্তানের মনে গেঁথে দিন, যদিও বাড়িতে বসে ক্লাস হচ্ছে, কিন্তু এটি স্কুলেরই ক্লাস। তাই শ্রেণী কক্ষে যেমন শৃঙ্খলা মেনে মনোযোগসহ পড়া বুঝে নিত, এখনও যেন তেমনই মনোযোগ দিয়ে পড়া বুঝে নেয়।

ক্লাসে বসলে ডাকাডাকি নয়

ক্লাসে বসে বাবা-মাকে ডাকাডাকি করাও মোটেও সুন্দর দেখায় না। তাই সন্তানকে বলুন, একান্ত দরকার না হলে যেন বাবা-মা অথবা পরিবারের অন্য সদস্যদের ডাকাডাকি না করে। একইভাবে শিক্ষার্থী যখন ক্লাস করছে, তখন তাকেও যেন ঘরের কেউ বিরক্ত না করে।

পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে বসতে হবে

অনলাইন ক্লাসে বসলে সব প্রস্তুতি নিয়ে বসতে হবে। খাতা-কলাম-পেন্সিল-বই সবকিছু নিয়ে না বসলে একটু পর পর এসবের জন্য উঠতে হবে। যা ক্লাসের পরিবেশকে নষ্ট করবে। অন্যরা বিরক্ত হবে।

প্রতিদিন নির্দিষ্ট জায়গায় বসা

অনলাইন ক্লাসের জন্য একটি জায়গা নির্দিষ্ট রাখলে পড়াশোনায় মনোযোগ আসবে। সবচেয়ে ভালো হয় পড়ার টেবিলে যদি বসা যায়। এক্ষেত্রে বইপত্র-কাগজ-কলম-নোট সবকিছু হাতের কাছেই থাকবে। অযথা সময় নষ্ট হবে না।

ল্যাপটপের ক্লাস করা ভালো

অনলাইন ক্লাস মোবাইল এবং ল্যাপটপ দুটোতেই করা যায়। মোবাইলের চেয়ে ল্যাপটপ বা ডেক্সটপে ক্লাস করার সুবিধা বেশি। বড় স্ক্রিনে লেখাপড়ার জন্য সুবিধা। মোবাইলের ছোট স্ক্রিন চোখে চাপ বাড়ায়। মাথাব্যথার কারণ হয়।

প্রয়োজন বাবা-মায়ের নজরদারি

অনলাইনে ক্লাস করছে আপনার সন্তান। অন্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি সচেতন থাকুন। সতর্ক হোন। ক্লাসের নাম করে বন্ধুদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আড্ডা বা গেমিংয়ে মজে যাচ্ছে কি না অথবা কোনো বিপজ্জনক ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছে কি না- এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখা প্রতিটি অভিভাবকের একান্ত দায়িত্ব।