অন্যের গরু জবাই করে উৎসব করা সেই যুবলীগ নেতার কর্মকান্ডে তদন্ত কমিটি

আলহাজ হোসেন আলহাজ হোসেন

কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬:৫৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৫৯:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

গাজীপুরের কালয়িাকরৈ উপজলোর মৌচাক ইউনয়িন যুবলীগরে সভপতি ও ইউপি সদস্য মোশারফ হোসনেরে নামে অন্যরে গরু জবাই করে দনিভর সহযোগীদরে নয়িে উল্লাস করার সংবাদ বাংলাদেশ টুডেসহ কয়কেটি পত্রকিায় প্রকাশতি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় কালয়িাকরৈ উপজলো আওয়ামী যুবলীগ ৫ সদস্য বশিষ্টি একটি তদন্ত কমটিি গঠন করছে।

উপজলো যুবলীগরে সভাপতি মোঃ হরিো ময়িা ঘটনার সত্যতা নশ্চিতি করে জানান, যুবলীগ নতো মোশারফ হোসনেকে নয়িে এধরনরে সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় গাজীপুর জলো যুবলীগরে সভাপতি এস.এম আলতাব হোসনেরে নর্দিশেে উপজলো যুবলীগরে সনিয়ির সহ সভাপতি মোঃ জসমি আহমদেরে নতেৃত্বে ৫ সদস্য বশিষ্টি একটি তদন্ত কমটিি গঠতি হয়ছে। এ কমটিি অভযিোগরে প্রমাণ পলেে প্রয়োজনীয় পদক্ষপে গ্রহণ করা হব।

আরও পড়ুন: অন্যের গরু জবাই করে উৎসব করলো যুবলীগ নেতা!

উল্লেখ্য, এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এক মাস পূর্বে উপজেলার মাঝুখান এলাকায় আবু তালেবের বাড়ীতে অজ্ঞাত কৃষকের একটি লাল রংয়ের গরু আসে। গরুটি বেশ কিছুদিন তারা লালন পালন করতে থাকেন। পরে আবু তালেবের বাড়ীর ভাড়াটিয়া রাজা মিয়া বেশ কিছুদিন গরুটি দেখা শোনা করেন, ভাড়াটিয়া রাজা মিয়া বাসা ছেড়ে দিয়ে একই এলাকার সোহাগের বাসা ভাড়া নেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে রাজা মিয়া কাউকে না জানিয়ে গরুটি তার নতুন বাসায় নিয়ে যায়। সকালে আবু তালেবের স্ত্রী গরু বের করার জন্য গেলে গাভীটি দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর এক পর্যায় জানতে পারে ওই ভাড়াটিয়া রাজা মিয়া তার গরুটি নিয়ে গেছে। আবু তালেব গরুটি আনতে গেলে রাজা মিয়ার বাসার মালিক ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি সোহাগ হোসেন তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফিরিয়ে দেন।

পরে সকালে ওই এলাকার প্রভাবশালী ইউপি সদস্য ও মৌচাক ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোশারফ হোসেনের নেতৃতে গরুটি জবাই করা হয় এবং মাংস দিয়ে খিচুরী রান্না করে তার সহযোগীদের নিয়ে দিনভর আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন।

আরও পড়ুন: অন্যের গরু জবাই করে উৎসব করলো যুবলীগ নেতা!

এ বিষয়ে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোশারফ হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন “ ইউএনও‘র অনুমতি নিয়েই গরুটি ১০ হাজার টাকা দাম ধরে জবাই করেছি এবং টাকাগুলো মাদ্রাসায় দান করেছি। জবাই করে মাংস খেয়েছি,তোমাদের কি? তোমরা সাংবাদিকরা যা পার কর গিয়ে”। মাঝুখান মাদ্রাসার কোষাধক্ষ্য আতাউর রহমান জানান, এ বিষয়টি আমাদের জানা নাই,তহবিলে কোন টাকা জমা হয় নাই।

উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মোঃ হিরো মিয়া বলেন “ যুবলীগ নেতা মোশারফ হোসেনের নামে যে অভিযোগ উঠেছে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রমাণ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী হাফিজুল আমিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই,আমাকে কেউ অবগত করেনি।