অবশেষে অপেক্ষার অবসান, সোমবার হতে এমএনপি সেবা চালু

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:৩৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৩৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮

কয়েকদফা পেছানোর পর অবশেষে অক্টোবরের প্রথম ঘন্টা থেকে চালু হচ্ছে বর্তমান মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদলের সুযোগ বা এমএনপি সেবা। এতে মোবাইল ফোন গ্রাহকদের অন্তত এক দশকের অপেক্ষার শেষ হচ্ছে। সব পক্ষের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি এবং সেবা দেওয়ার জন্যে লাইসেন্স পাওয়া ইনফোজিলিয়ান লিমিটেড।

ওই দিন দিনের শুরু থেকেই সেবাটি চালুর জন্যে উন্মুক্ত করা হলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বিকালে।

সোমবার বিকালে এ বিষয়ে বিটিআরসিতে একটি সংবাদ সম্মেলন করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে সেবা চালু হওয়ার আগেই গ্রাহকের খরচ ২০ টাকা বাড়ানোর কারণে নানা মহল থেকে এ বিষয়ে প্রশ্ন এসেছে।

এর আগে সেবাটি নিতে প্রতি গ্রাহকের জন্যে ৩০ টাকা চার্জ ধরা হয়েছিল। নীতিমালায় অন্তুর্ভূক্ত এ ধারা সম্প্রতি তুলে দিয়ে চার্জের বিষয়টি উন্মুক্ত করা হয়েছে। আর সে কারণে ৫০ টাকা চার্জ সঙ্গে ১৫ শাতংশ হারে ভ্যাট হিসেবে আরও সাড়ে সাত টাকা খরচ করতে হবে গ্রাহককে।

নিজের বর্তমান নম্বর ঠিক রেখে আলোচিত এ সেবা চালুর কথা শোনা যাচ্ছে প্রায় এক দশক ধরে। গত বছর এটি চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও অপারেটরগুলোর আপত্তিতে এখন পর্যন্ত তা চালুর পর্যায়ে থেকে যায়।

সেবাটি চালু হলে গ্রাহক তার নিজের অপারেটরের সেবা পছন্দ না হলে ওই নম্বর ঠিক রেখেই পছন্দমতো অপারেটরে চলে যেতে পারবে। এর ফলে অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং গ্রাহক সেবার মানও আগের চেয়ে ভালো হবে বলে মনে করছেন বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল হক।

গত বছর নভেম্বরে বিটিআরসি ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেক নামে একটি কোম্পানিকে এ সেবা চালুর লাইসেন্স দেয়। তখন ১৮০ দিনের মধ্যে চালুর শর্ত ছিল। কোম্পানিটি মার্চের মধ্যে সেবা চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা হয়নি।

সেবাটি চালু হলে গ্রাহকরা নির্ধারিত ফি দিয়ে নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার অপারেটর বদলে যাবে। তবে পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে তাকে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

এর আগে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে একবার নিলাম আহবান করেও শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কথা বলে তা বাতিল করা হয়। এরও আগে ২০০৮ সালে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয় নিলামের। এরপর ২০১৪ সালে বিটিআরসি এ সংক্রান্ত নীতিমালা করে। ওই সময়ও নানা অজুহাত তৈরি করে উদ্যোগটি পিছিয়ে দিতে অনেকটা বাধ্য করে অপারেটরগুলো।