‘অলি আহমদ জাতীয় ঐক্যের বিরোধীতা করেননি’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৫৫:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮

অলি আহমদ জাতীয় ঐক্যের বিরোধীতা করেননি বলে জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ। যাদের সমর্থক নেই, তাদের নিয়ে ঐক্য করে কী লাভ- লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদের এই বক্তব্যে বৈঠকে তুলেন জোট একজন শীর্ষ নেতা।

পরে অলি আহমদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য হচ্ছে, কী হচ্ছে না- এধরণের নানা কথা আমরা শুনছি এবং পত্র-পত্রিকায় দেখছি। সেই ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ারম্যান একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি তো জাতীয় ঐক্যের বিরোধীতা করেননি। আর উনি এটা বলতেই পারেন।

রবিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বৈঠকে বিএনপির কাছে যুক্তফ্রন্ট ১৫০ আসন চাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। এর পরিপ্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আলোচনার সময় তো অনেক কিছুই হয়। অনেক কথাই বলে।

কিন্তু আলোচনার টেবিলে না বসলে তো আর জানা যায় না। উনা’রা(ন্যাপ) এ কথা বলতেই পারেন। তারা আরো বলেন, আমরা একটি ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য করতে পারলে সরকারের পতন নিশ্চিত হয়। তাই আমরা জাতীয় ঐক্য করতে চাই। এসময় ২০ দলীয় জোটের নেতারা জাতীয় ঐক্য গড়ার ক্ষেত্রে একমত পোষন করে সমর্থন দেন।

অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নিরপেক্ষ নির্বাচন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম বিষয়টি উঠে আসে। তবে ২০ দলীয় জোট এখন আন্দোলনে যাচ্ছে না বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কিন্তু বেগম জিয়া নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশে সকল জেলা ও মহানগরে মানববন্ধন এবং বুধবার ঢাকাসহ সকল জেলা এবং মহানগরে প্রতিকী অনশন কর্মসূচিতে জোটের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত থাকতে বলা হয়েছে। প্রায় ১ ঘন্টাব্যাপী এই বৈঠকে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তার অসুস্থতা নিয়েও আলোচনা হয় বলে সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ২০ দলীয় জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদের সদস্য আবদুল হালিম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদৎ হোসেন সেলিম, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্তজা, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির সভাপতি ডা. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপা’র সিনিয়র সহসভাপতি ব্যারিস্টার তাসনিয়া প্রধান, জাতিয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, ন্যাপে মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়াসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।