অ্যাতলেটিকোর ‘মেসি’ স্বপ্ন!

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ | আপডেট: ৯:১৮:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০

ভবিষ্যতে লিওনেল মেসিকে অ্যাতেলেটিকো মাদ্রিদে খেলতে দেখাটা মনে হতে পারে অস্বাভাবিক, তবে তা একেবারে উড়িয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। কারণ বার্সেলোনার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ইতি টেনে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের সতীর্থ লুইস সুয়ারেসকে ইতোমধ্যে দেখা গেছে রোহি ব্লাঙ্কোসদের জার্সিতে।

আর সেটিই হাওয়া দিচ্ছে ভবিষ্যতে মেসির ওয়ান্দা মেত্রোপোলিতানোতে যাওয়ার জল্পনা-কল্পনার পালে। ক্যাম্প ন্যুয়ে থাকতে ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন সুয়ারেস। দু’জনের পরিবারের মধ্যেও রয়েছে দারুণ সখ্যতা। কিন্তু উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড এখন মাদ্রিদের বাসিন্দা। বন্ধুর বিদায় নাড়িয়ে দিয়েছে মেসিকে। এমনকি তার পত্নী রোকুজ্জোও সুয়ারেসের স্ত্রী সোফিকে মিস করার কথা জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সুয়ারেজের বার্সেলোনা ছাড়াটা খুব একটা পছন্দ করেননি মেসি। বিশেষকরে ক্লাবের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের এমন বিবর্ণ বিদায় মানতে পারেননি। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ক্লাব সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউকে এক হাত নিয়েছিলেন তিনি। তাতে সুয়ারেজের প্রতি তার দুর্বলতা স্পষ্ট ফুটে ওঠে। আর তার ব্যবহারই করতে চাইছে মাদ্রিদের ক্লাবটি।

কাদেনা কোপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লাব সভাপতি মেসি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘জীবনে, যদি আপনি চান… লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে যদি লিও মেসি খেলতে চায়, আমি তাদের একই কথা বলব, “তাকে উৎসব করার জন্য ঘরে আসতে দাও।” ইচ্ছা থাকলে যে কোনো কিছুই সম্ভব।’

চলতি মৌসুমের শুরুতেই বার্সেলোনা ছাড়তে চেয়েছিলেন মেসি। এ নিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ চলে নানা নাটক। মেসিকে বিনা রিলিজ ক্লজে ছাড়তে কোনোভাবেই রাজি নন ক্লাব সভাপতি বার্তোমেউ। দেনও-নি। ক্লাব ছাড়ার একটাই উপায় ছিল মেসির, তা হলো আদালতে যাওয়া। কিন্তু প্রিয় ক্লাবকে কাঠগড়ায় তুলতে চাননি এ আর্জেন্টাইন। যে কারণে আরও এক মৌসুম বার্সায় থাকার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

তবে পরিস্থিতি না বদলালে চলতি মৌসুমেই হয়তো বার্সেলোনা ক্যারিয়ারের ইতি হবে মেসির। নতুন মৌসুমে নতুন কোনো দল, নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নিতে দেখা যেতে পারে তাকে। এবার শুরু থেকেই ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির নাম ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে নতুন মৌসুমে বদলে যেতে পারে সব। সেক্ষেত্রে সুয়ারেজের উপস্থিতি বাড়তি সুবিধা দিতে পারে অ্যাতলেতিকোকে।