‘আইয়ুব খান বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের অবস্থা দেখে লজ্জা পেতো’

প্রকাশিত: ৯:৪৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২০ | আপডেট: ৯:৪৯:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৯, ২০২০
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, মেজর সিনহার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় যে রিপোর্টগুলো দেখলাম তাতে, এই অফিসার (সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ) অস্ত্র হাতে নিয়ে উদ্যোত হয়েছেন তা দেখা যায়নি। তাহলে তাকে গুলি করার প্রয়োজন দেখা দিলো কেন? পুলিশের নিয়মে আছে প্রাথমিকভাবে গুলি করবে- আত্মরক্ষার্থে, হাঁটুর নিচে যাতে সে আগাতে না পারে। বুকে গুলি করার অর্ডার তো পুলিশের থাকে না, নিয়মও নেই। রাষ্ট্রের প্রত্যেকটা সত্মম্ভ দলীয়করণের মাধ্যমে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে, মানুষের নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা অবশিষ্ট নাই।

আজ রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় গয়েশ্বর এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, “সিনহা হত্যাকাণ্ড বিচ্ছিন্ন ঘটনা যদি হয়, তাহলে আমার দেশের সরকার প্রধানের কাছে জানতে চাই, দুটি বাহিনীর প্রধান বিচ্ছিন্ন ঘটনার জন্য সময় নষ্ট করি্লেন কেন?

“আমরা এইটুকু বিশ্বাস করি, তাদের সর্বোচ্চ যোগ্যতা আছে বলেই তারা সেখানে আছেন। একজন প্রধানেরও তো ওখানে যাওয়ার দরকার হয় না, ঢাকায় বইসা অর্ডার দিলেই দ্যাটস এনাফ।”

কক্সবাজারে বন্দুকযুদ্ধের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে অভিযোগ করে তারও বিচারও দাবি করেন গয়েশ্বর।

“বিনা বিচারে উখিয়া-টেকনাফে ২৬৪ জন মানুষ হত্যা হয়েছে। বিনা বিচারে মানুষ হত্যা যেটা স্বাধীন দেশে হয় না। সন্দেহ করে আপনি মানুষ মেরে ফেলবেন? এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

জাতীয় প্রেস ক্লা্বের স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবু স্মরণে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন গয়েশ্বর।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল বক্তব্য রাখেন।