আকাশ পথে ব্যবসায়ী, সড়ক পথে আসে ইয়াবা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৩০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৬, ২০১৮

টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে সড়কপথে বাহকের মাধ্যমে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বড় বড় ইয়াবার চালান পাঠানো হয় ঢাকায়। এরপর নির্ধারিত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সেসব ইয়াবা অভিজাত এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে মজুদ করা হয়। আর সেই ইয়াবা বাণিজ্য সম্পন্ন করতে ব্যবসায়ীরা আকাশপথে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন। বুধবার (১৫ আগস্ট) রাতে এমন তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর এ্যালিফ্যান্ট রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে টেকনাফের শীর্ষ মাদকব্যবসায়ী জহির আহমেদ ওরফে মৌলভি জহিরসহ (৬০) ছয়জনকে আটক করেছে র‌্যাব-২।

আটককৃত অন্যরা হলেন, মমিনুল আলম (৩০), ফয়সাল আহম্মেদ (৩১), মিরাজ উদ্দিন নিশান (২১), তৌফিকুল ইসলাম ওরফে সানি (২১) ও সঞ্জয় চন্দ্র হালদার (২০)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৭ হাজার ১শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য ৭ কোটি ২৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান।

তিনি বলেন, এ্যালিফ্যান্ট রোডের একটি বিলাসবহুল বাড়ির নিচতলা থেকে ফয়সাল, মিরাজ, সানি ও সঞ্জয়কে ৩৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এরপর তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে জহির ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মমিনুলকে আটক করা হয়। ওই বাসা এবং তাদের তথ্য দেওয়া অপর একটি বাসা থেকে বাকি ইয়াবা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, জহিরের পুরো পরিবার এই ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। জহির ও তার বড় ছেলে বাবু (২৮) বিগত ৫-৬ বছর ধরে ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় বাসা ভাড়া করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

এর আগে, গত এপ্রিলে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এছাড়া, জহিরের স্ত্রী, মেয়ে ও জামাতা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানায় র‌্যাব।