আগামী ৫ বছরের মধ্যে বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:০২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৮ | আপডেট: ৪:০২:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৭, ২০১৮
সংগৃহীত

আকাশ ছোঁয়া অট্টালিকা কিংবা একের পর এক মেগা প্রকল্পের রাতদিনের ব্যস্ততার ছবিই বলছে বদলাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। মধ্য আয়ের পথযাত্রায় প্রবৃদ্ধি এখন ৮ ছুঁই ছুঁই। সমানতালে বেড়ে মাথাপিছু আয়ও প্রায় ১৮শ’ ডলার।

প্রবৃদ্ধির হাত ধরেই বিশ্বের প্রভাবশালী অর্থনীতির দেশের তালিকায় উঠে আসছে বাংলাদেশ। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন বলছে, আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ জায়গা করে নেবে বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায়।

কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যেভাবে বৈষম্য বাড়ছে, তাতে শীর্ষ অর্থনীতির দেশ হয়ে ওঠার ফল সুখকর কিংবা টেকসই কোনটাই হবে না। বরং এ অগ্রগতি দেশকে ঠেলে দিতে পারে সামাজিক অসন্তোষের পথে।

এসব কিছুই বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাবশালী দেশের তালিকায়। আইএমএফের তথ্য উপাত্ত যাচাই বাছাই করে ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ বলছে, আগামী ৫ বছরে বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় উঠে আসবে বাংলাদেশ। আর এইচএসবিসি জানাচ্ছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ১৬ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ হবে ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

মার্কিন সংস্থা ওয়েলথ এক্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভেতরে রাতারাতি অতিধনী বাড়ার ঘোড়দৌঁড়ে চীন, ভারত কিংবা যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বে শীর্ষে এখন বাংলাদেশ। বিপরীতে সমানতালে বাড়ছে আয় বৈষম্য।

বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ১৬, এই ৬ বছরে দেশের শীর্ষ ৫ শতাংশ পরিবারের আয় যেখানে বেড়েছে প্রায় ৫৭ শতাংশ উল্টোদিকে সবচেয়ে গরীব ৫ ভাগ মানুষের আয় কমেছে ৫৯ শতাংশ। আর গ্রামের মানুষকে আয়ের চেয়ে ব্যয়ই করতে হচ্ছে বেশি।

সবমিলিয়ে বৈষম্য পরিমাপের যে জিনি সহগ, তা এই ৬ বছরে ০ দশমিক ৪৫ থেকে বেড়ে এখন ০ দশমিক ৪৮। বিবিএসের তথ্য বলছে, ভালো নেই মধ্যবিত্তও। শীর্ষ ৫ শতাংশ ধনীর পরেই, যে উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি রয়েছে, দেশের মোট আয়ে কমছে তাদের অংশও।