আত্মঘাতী গোলে বড় বাঁচা বাচলো লিভারপুল

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:২৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০ | আপডেট: ৬:২৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০

ক্লিনশিট এবং জয় দিয়েই ভার্জিল ভ্যান ডাইক বিহীন জীবন শুরু হয়েছে লিভারপুলের। জয়টা অবশ্য কষ্টেই পেয়েছে লিভারপুল, তবে আপাতত এই তিন পয়েন্টই তাদের জন্য যথেষ্ট। প্রথমার্ধে আয়াক্স লেফটব্যাক নিকোলাস তালিয়াফিকোর আত্মঘাতী গোলেই জয় নিশ্চিত হয়েছে লিভারপুলের। জোড়াতালি দেওয়া রক্ষণ নিয়ে আয়াক্সের বিপক্ষে এই জয় অনেক অনুপ্রেরণাই যোগানোর কথা অলরেডদের।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘ডি’ গ্রুপে বুধবার আমস্টারডামের ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনায় শুরুতে কোনো দলই দাপুটে ফুটবল খেলতে পারেনি। তবে ১৬তম মিনিটে আয়াক্সের ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের হেড জাল খুঁজে পায়নি। পরে মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবার্চের শট লিভারপুল পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।

আয়াক্স কিছুটা আক্রমণাত্মক হলেও অল রেডসদের কেউই শক্ত ভূমিকা রাখতে পারেনি। তবে ৩৫তম মিনিটে নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর আত্মঘাতী গোল লিভারপুলের ভাগ্য খুলে দেয়। সাদিও মানের করা শটে পা লাগিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার।

কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ দিকে ভালো সুযোগ আসে আয়াক্সের। ডালে ব্লিন্ডের থ্রু পাস ধরে দুসান তাদিচের চিপ গোলরক্ষক আদ্রিয়ানের মাথার ওপর দিয়ে জালের দিকে ছুটছিল। গোললাইন থেকে দলকে বিপদমুক্ত করেন ফাবিনিয়ো।

এদিন শক্তিশালী লিভারপুল থেকে বরং আয়াক্সই দারুণ ফুটবল খেলে। যেখানে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ডাভি ক্লাসেনের ডান পায়ের শট পোস্টে লেগে ফিরলে বেঁচে যায় লিভারপুল। ৫৮তম মিনিটে তাদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফিরমিনোর হেড পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে যায়। একটু পর আয়াক্সের প্রমেসের শট ফেরান আদ্রিয়ান।

শেষ দিকে অবশ্য লিভারপুল ব্যবধান বাড়াতে আক্রমণ বাড়ায়। তবে তাকুমি মিনামিনো, জর্জিনিয়ো ভেইনালডাম সুযোগ নষ্ট করেন। ম্যাচের একেবারে শেষে ইয়ুর্গেন একেলেনকাম্পের উড়িয়ে মারলে জালের বাইরে চলে যায়।