আফগান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসছেন জো বাইডেন

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২১ | আপডেট: ৯:০৮:অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২১

আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যকার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর আফগান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এটিই হবে বাইডেনের প্রথম সাক্ষাৎ।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলি। যুক্তরাষ্ট্র ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তারপরই তালেবানের সঙ্গে আফগান সেনার দেশজুড়ে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি। বাইডেনের সঙ্গে তার মুখোমুখি কথা হবে।

গত জানুয়ারিতে বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথমবার দুই নেতা সামনাসামনি বসে কথা বলবেন। বাইডেন সেখানে আফগানিস্তানকে কূটনৈতিক, আর্থিক, মানবিক সাহায্য দেয়ার কথা বলতে পারেন।

ঘটনা হলো, যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে তালেবান প্রায় তিরিশটি জেলা দখল করে নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কী করতে পারে?

গত ২০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ও ন্যাটোর সেনাদের সাহায্যকারী ও তাদের পরিবারকে সুরক্ষা দিয়েছে। এই মাসেই মার্কিন কংগ্রেসের ২০ জন সদস্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন. তিনি যেন ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার ইন্টারপ্রেটারকে সাহায্য করেন। তারা সকলেই মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

মার্কিন জতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবিসি টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, এই আবেদনগুলি নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার কাজ রেকর্ড গতিতে চলছে। মার্কিন কংগ্রেসের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

তালেবানের প্রতিক্রিয়া

তালেবান জনিয়েছে, প্রেসিডেন্ট গনির যুক্তরাষ্ট্র সফরে কোনো লাভ হবে না। তিনি নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে ও ব্যক্তিগত স্বার্থে মার্কিন সফরে যাচ্ছেন। এর ফলে আফগনিস্তানের কোনো লাভ হবে না।

শান্তি আলোচনা

আফগান সরকার ও তালেবানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা চলছে। গত সেপ্টেম্বরে দোহায় আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু গত আড়াই সপ্তাহ ধরে সেই আলোচনা বিশেষ এগোয়নি। রোববার তলেবান জানিয়েছে, তারা শান্তি আলোচনার প্রতি দায়বদ্ধ, কিন্তু তারা আফগানিস্তানে প্রকৃত ‘ইসলামিক সিস্টেম’ চান।