আবরারের পরিবার জামাত-শিবির করে: কুষ্টিয়ার এসপি

প্রকাশিত: ৯:৪৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ১০:১২:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাজাতের পরিবার জামাত-শিবির বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভীর আরাফাত।

এদিকে নিহত আবরারের ছোট ভাই ফায়াজকে পুলিশ মারধোর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সে বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পক্ষ থেকে এসপির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব মিথ্যা কথা। এখানে সবাই উপস্থিত আছেন। এসব মিথ্যা প্রগাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। ভিসিকে মারতে পারে নাই এ জন্য।’

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কি ভিসির ওপর আক্রমণের কোনো চেষ্টা করেছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, ‘এলাকাবাসী না, ওদের ফ্যামিলি (পরিবার) জামাত শিবিরের লোকজন। জামাতের লোকজন আক্রমণের চেষ্টা করেছিল।’

এতে কি আপনাদের কোনো পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এমন প্রশ্নে এসপি বলেন, ‘না কোনো সংঘর্ষের ঘটনাই ঘটেনি। চড়-থাপ্পড়দের ঘটনাও ঘটে নাই।’

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে সেখানে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজসহ আহত হন তিনজন।

জানা যায়, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়।

এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আহত হয়েছেন।

এর আগে সকালে ছাত্রলীগ নেতাদের পিটুনিতে মারা যাওয়া বুয়েট ছাত্র আবরারকে দাফনের এক দিন পর কুষ্টিয়ায় তার বাড়ির উদ্দেশে যান ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের একদল নেতকর্মী। এরপর তাকে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আবরার হত্যার বিচার দাবিদে দেশব্যাপী সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও আন্দোলন করছে।