আবরার হত্যার প্রতিবাদ মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা

প্রকাশিত: 4:23 PM, October 9, 2019 | আপডেট: 4:34:PM, October 9, 2019
ছবি: টিবিটি

আসলাম হোসেন, জবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে নিষ্ঠুরভাবে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করলে সেই মিছিলে হামলা চালায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সকাল ১০টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আসিফ রহমান বিপ্লবের নির্দেশে সকাল ৯ টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলায় একত্রিত হন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে থেকে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে একটি মিছিল বের করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

সেই মিছিলটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের সামনে আসার পর পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এই হামলার ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান নাহিদ, যুগ্ম-সম্পাদক আলি হাওলাদার, মিজানুর রহমান শরীফ, জাহিদ সহ আরও প্রায় ১০ জন আহত হয়। সেসময় যুগ্ম-সম্পাদক আলি হাওলাদার এবং জাহিদকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

ছাত্রলীগ কর্তৃক এমন বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভাই আবরারকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে আজ আবার ও ছাত্রলীগ আমাদের উপরে হামলা চালিয়েছে এবং আমাদের ২জন কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ছাত্রদল কখনো হামলা মামলা কে ভয় পায় না।

রাজপথে থেকেই ছাত্রদল এর জবাব দিবে। এই ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মওদুদ জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে দুই গ্রæপের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া চলছিল। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা ছাত্রদলের দুইজনকে আটক করে তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে এসেছি।

এই বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন এমন কোন হামলার খবর আমার জানা নেই। প্রক্টর অফিসে একজনকে আহত অবস্থায় প্রেরণ করা হলে আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছি।