আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ৫৫ টাকার নিচে নামবে না

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০ | আপডেট: ৫:২৪:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২০

আগামী বছর পর্যন্ত আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ কমপক্ষে ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হবে বলে জানিয়েছেন বানিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কোনো অবস্থাতেই ৫৫ টাকার নিচে নামবে না। এর ওপরেই আমাদের বাঁচতে হবে আগামীবছর পর্যন্ত।

পেঁয়াজের দাম সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের বছরে ৮ থেকে ৯ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকে। সেটা সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আসে। ভারতের পেঁয়াজের বড় অংশ এ সময় আসে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা বন্ধ তাই ইজিপ্ট, তুরস্ক, ইরান, চায়না, মিয়ানমার থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে আমদানি খরচ পড়ে ৪৫ টাকা কেজি। এরপর ৫ থেকে ৬ টাকা ভ্যাট রয়েছে। ফলে পাইকারিতে কমপক্ষে ৫০ টাকা পড়ে। তাই ৬০ থেকে ৬৫ টাকার নিচে আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারজাত করা যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি ৬০ টাকার নিচে রাখতে। যাতে মিনিমাম লাভ করা যায়। আমদানি করা পেঁয়াজ কোনো অবস্থাতে ৫৫ টাকার নিচে খরচ ফেলা যাবে না। এর ওপরেই আমাদের বাঁচতে হবে আগামী বছর পর্যন্ত।

পেঁয়াজে ভারতের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে চান জানিয়ে মন্ত্রী বলেলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে আমরা পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চাই। আমাদের ও ভারতে একই সঙ্গে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। গতবার ভারত পেঁয়াজ দেয়া বন্ধ করে এবং এবারও বন্ধ করেছে। আমাদের দেশে যখন পেঁয়াজ ২৫০ টাকা হয়েছে তাদেরও ১৫০ রুপি হয়েছিল, যেটা তাদের দেশে হয় না সাধারণত। তবে আমাদের যে শিক্ষা হয়েছে যে তারা নিজেদের প্রয়োজনে যেকোন সময় পেঁয়াজ দেয়া বন্ধ করতে পারে। তাই আমরা সেলফ সার্ভিসে নজর দেবো। যাতে ভারত বা কোন দেশের প্রতি খুব বেশি নির্ভরশীল হতে না হয়। গতবার মহারাষ্ট্রের নাসিকে বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজে প্রভাব পড়েছে, এবারও সেই প্রভাব রয়েছে।

টিপু মুশী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য আগামী তিন বছরে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া। ভারত তাদের লোকজনকে না খাইয়ে আমাদের পেঁয়াজ পাঠাবে কেন। তবে তাদের কাছে অনুরোধ করেছি বন্ধের একমাস আগে যেন অন্তত আমাদের জানায়।