আমার মানহানি করার জন্যই এই মামলা: মোসাদ্দেক

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ৩:২৮:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০১৮

জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন এবং যৌতুকের মাললা ঠুকে দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী সামিয়া শারমিন। কিন্তু ডিভোর্সের নয় দিন পর এমন মামলায় অনেকটা অবাক মোসাদ্দেক নিজেও। তার মতে হয়রানি এবং সম্মান নস্ট করার জন্যই এই মামলা করেছেন তার স্ত্রীর পরিবার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সকল সংবাদ মাধ্যমে এই মামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে মোসাদ্দেক হোসেন প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘আমার নামে মামলা করা হয়েছে শুনেছি। আমি একটু অবাক হয়েছি যে ডিভোর্স হওয়ার এতদিন কেন তারা এমন মামলা করেছে। কারণ আমি তো কাবিননামা অনুসারে আমার স্ত্রীকে ভরণপোষণের সব টাকা দিতে রাজি আছি। এই মামলা ভিত্তিহীন। কারণ আমার যে অর্থিক অবস্থা তাতে করে স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক চাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমার সুনাম নস্ট আর মানহানী করার জন্যই এই মামলা করেছে আমার স্ত্রীর পরিবার।’

২০১২ সালে আপন খালাতো বোন শারমিনকে বিয়ে করেন মোসাদ্দেক। বিয়ের আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে অবশ্য বিয়ে হয়েছিল দুই পরিবারের সম্মতিতে।

শারমিনের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর সব ঠিকঠাক ছিল। দুজনার মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্কই ছিল। কিন্তু ক্রিকেটার খ্যাতি পাওয়ার পর থেকেই পাল্টে যেতে থাকেন মোসাদ্দেক! জড়িয়ে পড়েন মদ, পরনারীতে। নির্যাতন চলতে থাকে স্ত্রীর উপর।

কিন্তু মোসাদ্দেকের দাবি,‘ দেখুন আমি কোনো দরিদ্র নই। আমার পক্ষে যৌতুক চাওয়া সম্ভব নয়। আর আমাদের তো ডিভোর্সও হয়ে গেছে। আমি তাকে প্রাপ্য টাকা দিতে রাজি। তারপরও যেহেতু মামলা হয়েছে তাই বলতে হচ্ছে এটির পেছনে অন্যকোন কারণ আছে। যেটা আমি এখনো সঠিক বুঝতে পারছিনা। তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও আমার সম্মান নষ্ট করতেই এমনটি করছে আমার স্ত্রী।’

রবিবার বিকেলে ময়মনসিংহে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন। মামলায় মোসাদ্দেক ও তার মা হোসনে আরা বেগমকে আসামী করা হয়েছে।