আমি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করব: সোহেল তাজ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮ | আপডেট: ২:৪৪:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮

দীর্ঘদিন রাজনীতিতে স্বেচ্ছায় অনুপস্থিত বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ নিজ এলাকায় অনুষ্ঠিত এক উঠান বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সোহেল তাজের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই উঠান বৈঠক জনসভায় রূপ নেয়। এ সময় তিনি আগামী সংসদ নির্বাচনে বড় বোন সিমিন হোসেন রিমির জন্য নৌকায় ভোট চান। সোহেল তাজের সঙ্গে বড় বোন সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমিসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সোহেল বলেন, ‘দেশ, জাতি ও সমাজের জন্য উন্নয়ন কাজ করতে হলে সরকারে থাকতে হবে এটা আমি বিশ্বাস করি না। কাপাসিয়া আমার দাদা ও পিতার জন্মভূমি। এ এলাকার জন্য সব সময়ই আমার চিন্তা আছে।

আমাদের পরিবার কাপাসিয়ার মানুষের জন্য সব সময়ই কাজ করেছে। যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে আমার একটি বিশেষ পরিকল্পনা আছে। এ নিয়ে আমি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করব।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে কোনো প্রতিকূল পরিবেশে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব এটাই আমার প্রত্যাশা। কাপাসিয়ার মাটি বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের পবিত্র জন্মভূমি।

এখান থেকে গত দুই নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন তার বড় বোন সিমিন হোসেন রিমি। আগামীতে সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে তিনি বড় বোন সিমিন হোসেন রিমির জন্য কাজ করতে আহ্বান জানান।

এর আগে সোমবার বিকেলে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বড় বোন সিমিন হোসেন রিমি এমপির সাথে নিজ গ্রামের বাড়ি কাপাসিয়ার দরদরিয়ায় আসেন। পূর্বনির্ধারিত কোনো সভা-সমাবেশ না থাকলেও সোহেল তাজ আসার খবর পেয়ে শত শত মানুষ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের দরদরিয়ার গ্রামের বাড়িতে সকাল থেকেই ভিড় জমাতে থাকে।

দলের নেতাকর্মীসহ স্থানীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ফিরে আসে। তারা প্রিয় নেতা সোহেল তাজের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকেন। একপর্যায়ে দুপুরের পর পুরো এলাকা জনাকীর্ণ হয়ে ওঠে। বিকেলে বোনের সাথে সোহেল তাজ গ্রামের বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হলে তার ভক্ত অনুসারীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

এ সময় অনেকে ভিড় ঠেলে প্রিয় সোহেল তাজের সাথে হাত মিলিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। একপর্যায়ে এতে দলীয় নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দরদরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো মাঠটি লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। এতে আয়োজিত উঠান বৈঠকটি জনসভায় পরিণত হয়।