আম্পায়ার ও স্টার্কের কৃতিত্বে চাপে ইংল্যান্ড

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৪৪:অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

ভুল আউটে কপাল পুড়লো ইংলিশ ওপেনার জেসন রয়ের। পেট কামিন্সের করা ইনিংসের ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি ঝাঁপিয়ে পড়ে তালুবন্দী করা বলে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে শ্রীলঙ্কান আম্পায়ার কুমার ধর্মাসেনা আউটের আঙুল তুলে দেন রয়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু টিভি রিভিউতে স্পষ্ট দেখা যায় ব্যাট কিংবা গ্লাভস কোথও বল স্পর্শ পায়নি রয়ের। সাজঘরে ফেরার আগে ৬৫ বলে ৮৫ রান করেন তিনি।

দ্বাদশ বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার আভাস দিচ্ছে স্বাগতিক দেশ ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ২২৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বায়রেস্টোর তান্ডবে ইংলিশরা দ্রুতই এই রান চেজ করার ইঙ্গিত দেয়।

স্টিভেন স্মিথের ব্যাটে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে স্বগতিক ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া অস্ট্রেলিয়া দলকে একাই সামনের দিকে টানেন স্মিথ। কিন্তু অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৪৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় অজিরা। স্টিভেন স্মিথ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৫ রান করেন।

ফা্ইনালে উঠার লাড়াইয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বার্মিংহাম এজবাস্টনে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি শুরু হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধন্ত নেন অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

ব্যাটিং করতে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। স্কোর বোর্ডে ১৪ রান তুলতেই তারা হারায় ৩ উইকেট। টপ অর্ডারের তিন সেরা ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরে গেলে বড় ধরনের চাপে পড়ে অজিরা।

দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই অজি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে তুলে নেন ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চার। ফিঞ্চ ফিরেছেন শূন্য রানে। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৪। এরপর জোড়া আঘাত হানেন আরেক পেসার ক্রিস ওকস। তৃতীয় ওভারে ডেভিড ওয়ার্নার ও সপ্তম ওভারে পিটার হ্যান্ডসকমকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন তিনি।

তবে ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামা স্টিভেন স্মিথ ও পাঁচে নামা অ্যালেক্স ক্যারির দৃঢ়তায় প্রাথমিক চাপ সামলিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা । কিন্তু দলের ১১৭ রানের মাথায় আদিল রশিদকে ওভার বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ডিপ এক্সট্রা কাভারে ফিল্ডিং করা জেমস ভিন্সের তালুবন্দীয় হয়ে ফেরেন ক্যারি। ৪৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে। ব্যাট করতে নেমে আদিল রশিদের একই ওভারের শেষ বলে মার্কাস স্টয়নিস এলভিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে রানের খাতা খোলার আগে ফিরে গেলে ফের চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাক্সওয়েল নেমে ২২ রান করে তিনিও ফেরেন, পেট কামিন্সের ব্যাট থেকে আসে ৬ রান।

এক একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে টেনে নিতে থাকা স্মিথ ৮৫ রান করে রান আউটের শিকার হলে অজিরা আর সামনে এগাতে পারেনি বেশ। ১১৯ বলে ৬ চারে ৮৫ রানের এক দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন স্মিথ। তার আউটের পর দ্রুতই ঘুটিয়ে যায় অজিরা। শেষদিকে মিচেল স্টার্কের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রানের ওপর ভর করে ৪৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় অস্ট্রেলিয়া।

ইংলিশ বোলারদের মধ্যে ক্রিস ওয়াকস ও আদিল রশিদ ৩টি, জোফরা আর্চার ২টি ও মার্ক উড একটি উইকেট শিকার করেন।