আশাশুনিতে জমি জবর দখল ও গাছ কর্তনের অভিযোগ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২১ | আপডেট: ৮:৪৮:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২১

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি সংবাদদাতা: আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের হামকুড়া/কচুয়ায় দীর্ঘদিনের বৈধ কাগজপত্র বুনিয়াদে দখলীয় জমিতে অবৈধ প্রবেশ করে ঘর নির্মানের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

কচুয়া/হামকুড়া গ্রামের মৃত সাবুদ আলি সানার পুত্র ইবাদুল হক বাদী হয়ে থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানাগেছে, পাকিস্তান আমল থেকে এমান আলি গং কচুয়া মৌজায় বিএস ৩৫২ খং, বিএস দাগ ৩২০৮ বাটা ৪৬২৪ দাগে ০৭ শতক ও ৩২০৮ বাটা ৪৬২৫ দাগে ০৭ শতক মোট ১৪ শতক জমি সোলে সূত্রে ভোগ দখলে আছেন।

১৯৬৫ সালে ১৪ শতক জমির মধ্যে ০২ শতক জমি প্রতিপক্ষ মহসিন হোসেন জবর দখলে ছিলেন। এরপর ১৯৬৬ থেকে অদ্যাবধি এমান আলি সানা গং ভোগ দখল করছেন। এ্যাটেস্টেশানের সময় এমান আলি গং এর নামে ১৪ শতক জমি রেকর্ড হয় (মন্তব্য কলামে প্রতিপক্ষের নামে জোর দখল লেখা ছিল)। মহসিন হোসেন রেকর্ড সংশোধনের জন্য ১৪৪৭৬/০২ নং মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত ১৪/১০/২০০৮ তাং আপীল না মঞ্জুর করেন এবং প্রতিবাদী এমান আলি গংদের রেকর্ড বহাল ঘোষণা করেন। আদালতে পরাজিত হয়ে প্রতিপক্ষ ঐ জমিতে গত ২২ জানুয়ারি জোরপূর্বক ঘর নির্মান করতে গেলে ইবাদুল হক থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ উভয় পক্ষকে নিয়ে ২৩ জানুয়ারি বসেন।

কাগজপত্র দেখে বিবাদী পক্ষের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পেয়ে নির্মান কাজ বন্দ করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। কিন্তু থানার সিদ্ধান্ত অমান্য করলে পুলিশ সোমবার ঘটনাস্থানে গিয়ে কাজ বন্দ ও মালামাল সরানোর ব্যবস্থা করেন। পুলিশ চলে যাওয়ার পর তারা পুনরায় কাজ করতে থাকলে ইবাদুল হক পুনরায় থানায় অভিযোগ করেছেন। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়নি। এব্যাপারে তারা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।