আশাশুনিতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩

প্রকাশিত: ৮:৪৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৪৯:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯
ফতেমা ও মমতাজ – ছবি: টিবিটি

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়ায় আ’লীগ নেতার ইজারাকৃত জমি জবর-দখলে বাঁধা দেয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

থানায় লিখিত অভিযোগে ও হাসপাতালে ভর্তি মমতাজ বেগম জানান, ১৯৭৬ সাল হতে অদ্যবদি আনুলিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মধ্যম একসরা গ্রামের মৃত. আছির উদ্দীন শিকারীর পুত্র দবির উদ্দীন শিকারী (৫৮) একসরা মৌজায় ভিপি ৪৩/৯৬ নং মামলার হাল ১২২ নং খতিয়ানের ১৪১০ নং দাগে ১.০৮ একর জমির মধ্যে ৬৬ শতক জমি ইজারা নিয়েছেন।

তিনি ১৯৯৬ সাল হতে ইজারা মূলে শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত জমিতে ভোগ দখলে আছেন। চলতি বছরে অজ্ঞাত কারনে ইজারা নবায়ন না হলে আবেদনসহ ইজারার মূল্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসে জমা দেয়া রয়েছে। যাহা ইজারা প্রদানে প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঐ জমির উপর নজর পড়ে পার্শ্ববর্তী শওকত সানার। সে প্রায়ই জমি জবর-দখলের জন্য পায়তারা চালাতে থাকে।

মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) সকাল ৯ টার দিকে দবির উদ্দীন শিকারীর স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫), কন্যা ফতেমা খাতুন (২৫) বড় ভাইয়ের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৪৭) চাষাবাদ শেষে ঘাস বাছার কাজ করছিল।

এ সময় পাশ্ববর্তী নূর ইসলাম সানার পুত্র শওকত হোসেনের নেতৃত্বে আবু সাদেক শিকারী, আব্দুস সামাদ গাজী, হাসান সানা, বাচ্চু শিকারী ও সালাম কারিকর দা, শাবল, লোহার পাইপ ও লাঠি সোটা নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে জমিতে প্রবেশ করে এবং সন্ত্রাসী স্টাইলে জবর-দখলের চেষ্টা, হুমকি-ধামকি ও জমি ছেড়ে চলে যেতে বলে।

মমতাজ বেগমরা মৌখিকভাবে বাঁধার সৃষ্টি করলে প্রতিপক্ষ তারদের উপর হামলা চালিয়ে বে-পরোয়া মারপিট ও দায়ের কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের ডাকচিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন ছুটে এসে গুরুতর আহত মমতাজ বেগম ও ফতেমা বেগমকে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে এবং আনোয়ারা খাতুন স্থানীয় ডাক্তার দেখিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ী গেছে। এ ব্যাপারে দবির উদ্দীন শিকারী বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার জমা দিয়েছেন।