আ. লীগ নেতার পিটুনীতে গুরুতর আহত নারী আ. লীগ নেত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৫২:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০১৮
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে গরুর হাটের ইজারার টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে থানা আওয়ামী লীগ সভাপতির পিটুনীতে মহিলা লীগ নেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন নিলু (৪৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।

বৃহস্পতিবার দুপুরের আগে খালপাড় টেম্পুস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন সরকারের স্ত্রী শিউলী সরকারও আহত হন। আহতদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত নিলুফার ইয়াসমিন নিলুর অভিযোগ, কামরাঙ্গীরচরের গরুর হাটের ইজারা পান এবার থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হোসেন সরকার ও সাধারণ সম্পাদক সোলেমান। হাটের আয় থেকে স্থানীয় মহিলা লীগ নেতাকর্মীদের এক লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবুল হোসেন সরকার ও সোলেমান এ টাকা দিতে টালবাহানা করেন।

বৃহস্পতিবার মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের ডাকেন আবুল হোসেন সরকার। তিনি দের খালপাড় অটোস্ট্যান্ড মোড়ে আবুল হোসেন সরকারের স্ত্রী শিউলী সরকারের অফিসে যেতে বলেন। সেখানে মহিলা লীগের নেত্রীরা গেলে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তারা মহিলা লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে ১ হাজার করে টাকা দিতে চান। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে আবুল হোসেন সরকার ও তার স্ত্রী শিউলী সরকার মহিলা লীগ নেত্রীদের উপর হামলা চালান। তাদের বেধরক পিটুনীতে আহত হন ৪ জন।

তাদের মধ্যে গুরুতর আহত মহিলা লীগ নেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন নিলুকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্তসত্ত্বা নিলুর মাথা ফেটে গেছে। তলপেটে গুরুতর জখম হওয়ায় তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাকে ঢামেক হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসা শেষে গাইনী ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কামরাঙ্গীরচর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবুল হোসেন সরকারের স্ত্রীও হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা যায়। তাদের লোকজন বলেন, মহিলা আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা ছিল। আমরা বৃহস্পতিবার মহিলা লীগের ৪৭ জনকে ডেকে ১ হাজার করে টাকা দিতে চাই। এসময় নিলুফার ইয়াসমিন আরও ১৯ জনের টাকা দাবি করে। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। আবুল হোসেনের স্ত্রী কাউন্সিলর শিউলী সরকারকে মারধর করে তারা। তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সন্ধ্যা ৭টায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। তিনি তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। কামরাঙ্গীর থানার ওসি শাহীন ফকির বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তবে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।