ইনজ্যুরি নিয়েও খেলার কারণ জানালেন মাশরাফি

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ৬:৩১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে শোয়েব মালিকের ক্যাচ নিতে গিয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছিলেন মাশরাফি। এরপর ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের ম্যাচে কুঁচকিতে চোট পান। তবুও দিব্যি খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেই কারণে জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে ঠিকভাবে অনুশীলনও করতে পারেননি তিনি।

আজ ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এভাবে চোট নিয়ে খেলার কারণ জানালেন টাইগার দলপতি। তিনি জানালেন, ‘আমার সুস্থ হতে একটু সময়ের দরকার। আমি তো তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারিনি। ইনজুরি পুরোপুরি ক্লিয়ার হয়নি। আমি হয়তো বিশ্রামে থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি তো একটা ফরম্যাটই খেলি। এটার পর চার-পাঁচ সপ্তাহের মতো বিরতি আছে। কিছুটা ট্রিটমেন্টের দরকার। চিন্তাও করছি ওই সময়ে ট্রিটমেন্ট করাব। স্ট্রেন্থ এবং ফিটনেসের কাজ ঠিকঠাক মতো করতে পারলে আশা করি ভালো হবে। ফিজিও খুব ভালো ট্রিটমেন্ট করেছে। মোটামুটি ম্যানেজেবল। কিন্তু এর থেকে ভালো ফিটনেস নিয়ে খেলি।’

এদিকে প্রথম ওয়ানডের আগের দিন ভাইরাস জ্বরের কারণে অনুশীলন করতে পারেননি রুবেল হোসেন। কিন্তু আজ পূর্ণ গতিতে বল করেছেন তিনি। এছাড়া দ্বিতীয় ওয়ানডের জন্য মুস্তাফিজকে নিয়েও আছে সংশয়।

ভাইরাস জ্বরের কারণে জাতীয় দলের ক্যাম্পে শুরুতে ছিলেন না রুবেল হোসেন। প্রথম ওয়ানডের আগের দিন অনুশীলনে যোগ দিলেও বোলিং করেননি। আজ চট্টগ্রামে পূর্ণ গতিতে বোলিং করেছেন রুবেল। তবে মুস্তাফিজকে নিয়ে রয়েছে খানিকটা সংশয়। কারণ প্রথম ওয়ানডেতে নিজের কোটা ওভার পূর্ণ করেননি মোস্তাফিজ। নিজের তৃতীয় স্পেলে অষ্টম ওভার করার পর কনুইয়ে ব্যথা অনুভব হওয়ায় আর বোলিং করতে চাননি ‍মোস্তাফিজ।

মোস্তাফিজকে সমর্থন জানিয়েছেন মাশরাফিও। তিনিও মোস্তাফিজকে বাড়তি চাপ না দেওয়ার পক্ষে। তিনি জানালেন, ‘মুস্তাফিজের কনুইয়ে একটু ব্যথা আছে। আজ বোলিংও করেছে। একটু পর ফিজিও রিপোর্টও দেবে। ওর ‘‘কোটা’’ পূর্ণ করা গুরুত্বপূর্ণ না। আমাদেরকেও খেয়াল রাখতে হবে যে, পরপর আমাদের সিরিজ আসছে । টেস্ট ম্যাচও আসছে। মুস্তাফিজ টেস্টও খেলবে। যারা টেস্ট খেলবে তাদের ওপর যেন চাপ না আসে, যদি আমরা ম্যাচ জেতার দিকে থাকি। এসব জিনিস চিন্তার মধ্যে থাকা জরুরি। মুস্তাফিজ নিজে বলেছিল যে ব্যথা অনুভব হচ্ছে। বল করতে চাচ্ছিল না। তাই ওকে বিশ্রাম দেওয়া। বোলার যখন নিজে অনুভব করে যে পারছে না, তখন তাকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।’