ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা উদযাপিত

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯ | আপডেট: ৯:১৩:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে রোববার সকালে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে, পূজা অর্চনা শুরু হয়।

বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তপন কুমার রায়ের সভাপত্বি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল ও ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড.পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন।

অনুষ্ঠানে ধর্মালোচক ছিলেন, বাংলাদেশ শ্রীচৈতন্য ভাবনামৃত সংঘের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জাহাপুর, মধুখালী ও ফরিদপুর শ্রী শ্রী মহাপ্রভু বিগ্রহ মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রী অপূর্ব মাধব দাস বাবাজী মহারাজ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহা। দিনটি পালন উপলক্ষ্যে ধর্মালোচনা সভা ছাড়াও প্রতিমা স্থাপন, দেবী আচর্না ও পুস্পাঞ্জলি প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে ধর্মালোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেছেন, ‘সরস্বতীকে বলা হয় বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী। সৃষ্টিশীল দেবী সরস্বতীর মূলমন্ত্র হলো প্রবাহ।

এটা যে অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে তা হলো জল। জলের যে প্রবাহ, সেই প্রবাহ যেমন থেমে থাকেনা, এই জল নিত্য প্রবাহ ও চলমান। এই স্রোতের গন্তব্য হচ্ছে মোহনার দিকে ছুটে চলা।

মোহনায় গিয়ে মহাসমুদ্রের সাথে একাত্ম হওয়া এর ধর্ম। সুতরাং এর সঙ্গে জ্ঞানের যে সম্পর্ক রচনা করা হয়েছে, জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে সেটা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।’

তিনি বলেন, ‘জ্ঞানের কোন শেষ নেই। জ্ঞান প্রবাহমান, ঠিক স্বরস্বতীও প্রবাহমান। ধর্ম মানুষকে সুপথ প্রদর্শন করে। আর আন্তঃধর্ম সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

একুশ শতকের পৃথিবীকে যদি বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে চাই, তাহলে অন্যের জন্য ও আমাদেরকে ভাবতে হবে। তাই আসুন আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোন মূল্যে অহিংস থাকবো। সহিংস পথ বেছে নেবো না।’