ঈদে ৩ কোটি টাকার গরু বিক্রি করলেন কৃষক সেলিম ওসমান

প্রকাশিত: ৩:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৫৫:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০১৮

এ.কে.এম সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি তিনি নীট গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ সভাপতি।

নিজের রপ্তানিমুখী নীট গার্মেন্টস উইজডম অ্যাটায়ার্স লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সর্ব মহলে তিনি একজন শিল্পপতি এবং নীটপন্য রপ্তানিকারক হিসেবে পরিচিত।

আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ইতোমধ্যেই তাঁর মালিকাধীন নীট গার্মেন্ট ছুটি প্রদান করা হয়েছে।

বিভিন্ন সভা সমাবেশে নিজেকে কৃষক বলে দাবী করা সেলিম ওসমান ১৯ আগস্ট রোববার সারাদিন তার কৃষি খামারে উৎপাদিত গরু বিক্রি করে দিন কাটিয়েছেন। এ দিন তিনি প্রায় ৩ কোটি টাকায় ২০০টি গরু বিক্রি করেছেন।

প্রতিটি গরু ওজনে সর্বনিন্ম প্রায় ৬ মণ থেকে ১১ মণ পর্যন্তওজনের ৫৫ শতাংশ মাংস হিসেবে ৫০০ টাকা কেজি দরে এসব গরু বিক্রি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে নিজস্ব ফার্মে এসব গরু পালন করে কোরবানি দেওয়ার উপযুক্ত করে তোলা হয়েছে।

প্রসঙ্গ, ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরে অবস্থিত এমপি সেলিম ওসমানের মালিকানাধীন উইজডম অ্যাটায়ার্স লিমিটেড এর অভ্যন্তরে থ্রি স্টার ফার্ম হাউজে নামে একটি ডেইরী ফার্ম এবং খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি গ্রামে প্রায় ৩০ একর জমি নিয়ে ফাইভ স্টার ফার্ম নামে আরো একটি ফার্ম হাউজ রয়েছে।

যেখানে তিনি প্রায় ৭’শ গরু, ৬’শ ছাগল, ৪’শ ভেড়া এবং বিভিন্ন প্রজাতির ২ লাখ ৫০ হাজার মাছ দীঘ দেড় যুগ করে চাষ করে আসছেন। এছাড়াও আম, কাঠাল, জাম, নারিকেল, সহ সকল ধরনের ফল এবং ধান, গম থেকে শুরু করে সকল ধরনের সবজি চাষাবাদ করে থাকেন।

প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যে গরু বিক্রি সম্পর্কে সেলিম ওসমান জানান, তার কৃষিখাত থেকে বছরে যে অর্থ উপার্জিত হয় তার সম্পূর্ণ টাকাই তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করে থাকেন।

বিগত দিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, অসহায় মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা, ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতা তিনি তার কৃষিখাত থেকে উপার্জিত অর্থ থেকে প্রদান করেছেন।

তাই তিনি বন্দরের সকলের প্রতি সব সময় বলে থাকেন কারো এক টুকরো জমিও যেন অনাবাদী পড়ে না থাকে। যাদের বাড়িতে জায়গা রয়েছে তারা যেন অত্যন্ত একটি গরু, অথবা একটি ছাগল, হাঁস মুরগি পালন করেন।

সেই সাথে বাড়ির চারপাশে বৃক্ষরোপনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কারন আজকের বাড়ির পাশের চারা গাছ আগামী দিনে সম্পদে পরিণত হবে।