ঈদ উপহার নিয়ে লক্ষ্মীপুরবাসীর কাছে ড. মাকসুদ কামাল

টাকার অভাবে যেন কারও ঈদের আনন্দ মাটি না হয়, সে জন্যই ‘ফরিদ-মাসুমা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন’-এর ব্যানারে ঢাবি শিক্ষক ড. কামালের এই প্রচেষ্টা

প্রকাশিত: ৭:৪০ অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪০:অপরাহ্ণ, মে ১২, ২০২১

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই উৎসব, ঈদ মানেই পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। পবিত্র মাহে রমজানের পর মহা আনন্দ-উৎসবের মাধ্যমে পালিত হয় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের (COVID-19) ভয়াবহতায় সর্বসাধারণের সার্বিক মঙ্গলের জন্য সারা দেশে চলছে লাগাতার লকডাউন। ফলে কিছু গরীব-অসহায়-দুঃস্থ মানুষকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে এ আনন্দ থেকে।

এসব অসহায় মানুষ যাতে সমাজের অন্যদের মতো পরিবার নিয়ে হাসিমুখে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সামান্য খাদ্যের অভাবে যাতে তাঁরা নিজেদেরকে অসহায় না ভাবে, সেদিকে খেয়াল রেখে ‘ফরিদ-মাসুমা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. এ.এস.এম মাকসুদ কামাল বরাবরের মতো এবারও লক্ষ্মীপুরবাসীর মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন।

ঈদ উপহার বিতরণকালে প্রথিতযশা এই শিক্ষাবিদ বলেন, “একজন মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে সমাজের পিছিয়ে থাকা ও অসহায় মানুষদের প্রতি আমাদের সকলের নৈতিক-সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ – এই নীতিতে বিশ্বাস রেখে একটি মানবিক সমাজ গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আমার আহ্বান – আসুন আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কঠিন এ দুর্যোগের সময়ে প্রতিবেশীর প্রতি খেয়াল রাখি এবং জাতির পিতার ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকি; কেবল নিজে নয়, সবাইকে নিয়েই ভালো থাকি। এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যরাও মানবিক কাজ করলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আমরা আরো সমৃদ্ধশালী ও উচ্চ মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ উপহার দিতে পারবো। আশা করি সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে পারিবারিকভাবে ঈদ উদযাপন করবেন, সুস্থ থাকবেন। সকলকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা।”

উল্লেখ্য, গত বছরে বিস্তার করা এই বৈশ্বিক মহামারির প্রথম থেকেই ‘ফরিদ-মাসুমা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন’ বিভিন্নভাবে সমাজের কল্যাণমুলক কাজ অব্যহত রেখেছে।