উপাচার্য দেখা না করায় বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪২:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২১

মোঃ মিরাজুল আল মিশকাত, হাবিপ্রবি সংবাদদাতা: করোনা মহামারী সংক্রমণ রোধে গত ১৭ ই মার্চ ২০২০ ইং থেকে বন্ধ রয়েছে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) একাডেমিক কার্যক্রম। মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্যাম্পাসে অবস্থিত নিজ বাসভবন থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম বের হন না। আর এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কাজে স্থবিরতা চলে এসেছে এমনকি নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্যসাক্ষাৎ না করার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেছে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ শাখার নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ শাখার নেতা রাসেল আলভি বলেন, ” আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বেশ কিছু দাবী দাওয়া নিয়ে উপাচার্যের সাথে দেখা করতে চাচ্ছিলাম প্রায় আট মাস থেকে। কিন্তু তিনি দেখা করা তো দূরের কথা মোবাইল দিলেও তা রিসিভ করেন না। আমরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ক্রেডিট ফি কমানো, পরিবহন সংকট কিংবা শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংকট কিভাবে কমানো যায় এগুলো বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি “।

এদিকে ছাত্রলীগের আরেক নেতা মোরশেদুল আলম রনি বলেন, ” আমরা ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় চাই ক্যাম্পাসকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু উপাচার্য যিনি ক্যাম্পাসের অভিভাবক তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বাসভবন থেকে বের না হওয়ায় মহিলা হল, মেডিকেল সেন্টার, রাস্তার কাজ সহ অবকাঠামোগত অনেক কাজে ধীরগতি লক্ষ করা যাচ্ছে। এছাড়া হাবিপ্রবিতে শিক্ষক সংকট থাকায় আমরা চাই গতবছরের নিয়োগ প্রক্রিয়া গুলো যাতে দ্রুত সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলে আছে তা যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করার লক্ষে কাজ শুরু করা হয়। আর এলক্ষেই আজ আমরা উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইলে তিনি এখন পর্যন্ত আমাদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। উপাচার্যের সাথে আমরা দীর্ঘ সময় ধরেই সাক্ষাৎ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছি “।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি

উল্লেখ্য যে, দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার আলোচনার জন্য উপাচার্যের বাসভবনে প্রবেশ করেন এবং সন্ধ্যায় দিনাজপুর জেলার ইউএনও এবং এএসপি তার বাসভবনের যান।