একটি আমের দাম ১২০০ টাকা!

কী এমন আছে মধ্যপ্রদেশের ‘নুরজাহান’ আমে?

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৪৬ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২১ | আপডেট: ৮:৪৬:অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২১

ফলের রাজা আম। তবে রাজা না বলে রানি বলাই শ্রেয়। কারণ রানি যে আম, আর তার নামও নুরজাহান। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের পত্নীর সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলবেন না যেন। যদিও ‘ওজনে’ এই নুরজাহান কিন্তু রানি নুরজাহানকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ভারতের একমাত্র একটি রাজ্যেই এই আমের চাষ হয়। এর চাহিদা এতটাই যে, এক একটি আম বিক্রি হয় ৫০০ থেকে এক হাজার রুপিতে! বাংলাদেশি প্রায় ১২০০ টাকা।

দ্য ওয়াল এক প্রতিবেদনে বলছে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলায় চাষ হওয়া এই আম প্রতি বছরই এমন অস্বাভাবিক চড়া দামে বিক্রি হয় বিশ্বের নানা প্রান্তে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূল পাওয়ায় এ আমের ফলন ভাল গত বছরের চেয়ে। ভাল আমের চেহারা, স্বাদ, গন্ধ সবই। তাই দামও খানিক বেশি।

কিন্তু কী এমন আছে এই আমে, যে এমন দাম!

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ‘নুরজাহান’-এর আসল উৎপত্তি আফগানিস্তানে। স্বাদে-গন্ধে এই আমের তুলনা নেই বিশ্বে। সবচেয়ে বড় বিষয় হল এই আমের সাইজ। এক একটি আমের ওজন ২ থেকে ৩.৫ কেজি! এখন একমাত্র আলিরাজপুরের কাঠিওয়াডা এলাকাতেই এই আম চাষ হয়। ইন্দোর থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে, গুজরাত বর্ডারের কাছে এই এলাকা এই আমের জন্যই বিখ্যাত।

কাঠিওয়াডার এক আমচাষি শিবরাজ সিং যাদব বলছিলেন, “আমার তিনটে নুরজাহান আমের গাছ আছে। সব মিলিয়ে ২৫০ মতো ফল ধরেছে। এক একটার দাম ৫০০ থেকে শুরু করে হাজার পর্যন্ত। এখনই বুক করতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। এবছর আম ভাল হয়েছে, এক একটার আড়াই-তিন কেজি করে ওজন হয়েছে।”

কাঠিওয়াডার এক আম-বিশেষজ্ঞ শাক মনসুরি আবার বললেন, “কোভিডের জন্য ব্যবসা মার খাচ্ছে। গত বছরও এমন হয়েছিল। তবে সেবার আবহাওয়া এত ভাল ছিল না, ভাল মুকুল আসেনি। আমের সাইজও পৌনে তিন কেজির বেশি হয়নি, সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ১২০০ টাকা প্রতি পিস। এবছর আম খুব ভাল হয়েছে। দেখা যাক কতটা বিক্রিবাটা হয়।”