‘এক চীন’ নীতিমালা বন্ধে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উত্থাপন

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৫৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২১ | আপডেট: ২:৫৫:অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে শুরু করা এবং এক চীন নীতিমালার ইতি টানার জন্য হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে একটি বিল উত্থাপন করেছেন দুই শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা।

১৯৭৯ সাল থেকে তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু মাঝখানে জিমি কার্টার ক্ষমতায় থাকাকালীন তাইপেইর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

নতুন বিল নিয়ে টম তিফানি এবং স্কট পেরি বলছেন, এই আইনটি বাইডেন প্রশাসনকে আন্তর্জাতিক সংস্থায় তাইওয়ানের সদস্যপদ সমর্থন করা ও বাণিজ্য আলোচনা করার নির্দেশ দেয়।

তিফনি বলেছেন, ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন রাষ্ট্রপতিরা এই মিথ্যাচারটির পুনরাবৃত্তি করেছেন যে তাইওয়ান চীনেরই একটি অংশ – যদিও তা বাস্তবে নেই।

তিনি বলেন এই নীতি এখন বন্ধ করতে হবে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান তৎকালীন সময়ে ছয়টি আশ্বাস দেন যা স্পষ্ট করে দেয় যে, তাইওয়ানের উপর চীনের সার্বভৌমত্বের দাবিকে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

তবে দুজন আইনপ্রণেতা বলছেন যে, ছয়টি আশ্বাস থাকা সত্ত্বেও তাইওয়ানের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে না যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ সালে, তিফানি বার্ষিক পেন্টাগন ব্যয়ের বিলের একটি সংশোধনী প্রস্তাব করেছিলেন যা মার্কিন এবং তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগকে সীমাবদ্ধ করে।

ডেমোক্র্যাটস সেই সময়ে সংশোধনীর বিষয়ে ভোট দেওয়ার অনুমতি দিতে অস্বীকার করলেও পরে মাইক পম্পেও নীতিটি কার্যকর করেন। বাইডেন প্রশাসন এই পরিবর্তনকে কবে ফিরিয়ে আনবে তাই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক এখন টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশ বাণিজ্য, করোনা, দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যু নিয়ে খারাপ সময় পার করছে। কমিউনিস্ট চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন থেকে তাইওয়ানকে রক্ষা করতে ফেব্রুয়ারিতে, সিনেটর রিক স্কট তাইওয়ান আক্রমণ প্রতিরোধ আইন পুনরায় চালু করেছিলেন।

আর তাইওয়ান আক্রমণ প্রতিরোধ আইন মার্কিন-তাইওয়ান সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করে এবং চীনের আক্রমণাত্মক নীতি ও সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করায় তাইওয়ানের ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে।

আন্তজার্তিক গণমাধ্যম সিএনএন বলছে, ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি “এক-চীন” নীতি অবলম্বন করেছে, তাইওয়ানকে চীনের অংশ এবং গণ-প্রজাতন্ত্রের চীনের একমাত্র বৈধ সরকার হিসাবে মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।