এক বাসেই যাওয়া যাবে বাংলাদেশ থেকে শিলিগুড়ি-দার্জিলিং

প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ | আপডেট: ৬:০৫:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এবং শিলিগুড়ির সঙ্গে সড়কপথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় এ দুই পর্যটন এলাকায় সরাসরি বাস সেবা চালু হচ্ছে।

ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- সীমান্তে যাত্রীদের আর বাস পরিবর্তন করতে হবে না; যা আগে দরকার হতো। বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক বৈঠকে আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক বৈঠকে আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকা-শিলিগুড়ি-গ্যাংটক (সিকিম)-ঢাকা এবং ঢাকা-শিলিগুড়ি-দার্জিলিং-ঢাকা রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালুর পরিকল্পনা করেছে ঢাকা।

২০১৫ সালের ১৫ জুনে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল মোটরযান চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চার দেশের মধ্যে অবাধ পণ্য ও যাত্রীসেবার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ভুটান চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়ায় তা থমকে আছে।

দ্য ইকোনমিক টাইমস বলছে, বাংলাদেশের সরকারি এক কর্মকর্তা বলেছেন, ঢাকা-শিলিগুড়ি-গ্যাংটক (সিকিম)-ঢাকা এবং ঢাকা-শিলিগুড়ি-দার্জিলিং-ঢাকা রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালুর পরিকল্পনা করেছে ঢাকা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সড়কপথে ইতোমধ্যে যোগাযোগ থাকলেও সরাসরি যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই; সীমান্তে পৌঁছে বাস পরিবর্তন করতে হয় যাত্রীদের। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রীদের সীমান্তে বাস পরিবর্তন করতে হবে না।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল ২০১৫ সালের ১৫ জুনে মোটরযান চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চার দেশের মধ্যে অবাধ পণ্য ও যাত্রীসেবার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ভুটান চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়ায় তা থমকে আছে।

গত বছর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ন্যাম সম্মেলনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সঙ্গে আলোচনা করেন। ওই সময় তিনি ভুটানকে ছাড়াই কীভাবে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায় সেটি নিয়ে নেপালি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন।

এদিকে, সম্প্রতি নয়াদিল্লি সফরে গিয়ে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক মোটরযান চুক্তি নিয়েও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।