এজিএস সাদ্দামের প্রদি মুগ্ধ হয়ে ঢাবি ছাত্রীর রোমান্টিক স্ট্যাটাস

প্রকাশিত: ১:৪৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯ | আপডেট: ১:৪৯:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পরস্পরের সঙ্গে মিলেমিশে অবস্থান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটির কর্তৃপক্ষ।

রোববার ঢাকা বিশ্বিববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিচালকের বৈঠকের পর দুই পক্ষ এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, ঢাকা মেডিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়টিকে আরো সহজ করার চেষ্টা করছি আমরা। হাসপাতালের পরিচালকও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ডাকসু এজিএস’এর এহেন কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিয়ে ‘ডিউ ক্রাশ এন্ড কনফেশন’ পেইজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রী রোমান্টিক কনফেশন লিখেছেন।

মনি মুক্তা নামের সেই ছাত্রী লিখেছেন, ‘আমি জানি আমি সাহসী তাই নিজের নাম লিখতে ভয় পাইনি! আপনাকে প্রথম দেখেছিলাম বাইকে চালাতে। আমি নীলক্ষেত যাচ্ছিলাম আপনি পিছনে একটা ছেলেকে নিয়ে বাইক চালিয়ে আসছিলেন। তখন তো জানতাম না আপনি একদিন ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হবেন। তবে এটা বুঝেছিলাম আপনি পলিটিক্স করেন কারণ পিছনে আরো কয়েকটা বাইক ছিল।

পরে আপনাকে নিয়ে বিস্তারিত জানা হয় যখন আপনি সাধারণ সম্পাদক হন। পরে জানলাম আপনি এফ.আর হলে থাকেন। আমার এক ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই আপনার পলিটিক্স করে। ভাইকে অনেক বার বলেছি আপনার সাথে একদিন দেখা করিয়ে দিতে কিন্তু সে শুধু ব্যস্ত আর ব্যস্ত।

রোকেয়া হলের প্রায় অর্ধেক মেয়েই জানে আপনি আমার ক্রাশ! এমনকি আমার বয়ফ্রেন্ড ও জানে। শুধু আপনিই জানলেন না। যখন সবাই আপনাকে নিয়ে পঁচা কথা বলে। আপনার বদনাম করে তখন আমার খুব গা জ্বলে। এমনকি আপনার পড়াশুনা নিয়েও মানুষ কথা বলে। এতেও মেজাজ টা গরম হয়।

আমার খুব ইচ্ছা আপনার সাথে দেখা করবো আর আপনি আমার ফোন দিয়ে আমার সাথে একটা সেলফি তুলবেন। কিন্তু তা তো আর হচ্ছে না। আপনাকে আর পাই কই। আপনি তো পলিটিক্স নিয়ে ব্যস্ত! আর হ্যাঁ মানুষের কথা কানে নিতে হবে না। নেতা সবাই হতে পারেনা। নেতা হতে গেলে অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়।

আপনার জন্য মন থেকে দোয়া করি। আমি কিন্তু পলিটিক্স করি না যে আপনাকে হাওয়া দিবো বা তেল দিবো পদ পাওয়ার লোভে। কিন্তু আপনি যদি কোনোদিন আমাকে বলেন যে ‘‘তুমি রাজনীতি করো, তোমার মেধাকে রাজনৈতিক কাজে লাগিয়ে মানুষের সেবা করো তবে আমি ঠিক রাজনীতি করবো।’’ চিন্তা করবেন না আমি কিন্তু রাজনীতি বিজ্ঞানেরই ছাত্রী, রাজনীতি নিয়ে পড়াশুনা করা মেয়ে। আমার পদের লোভ নেই। তবে পরিবর্তন আর ভালো কিছু করার ইচ্ছা তো অবশ্যই আছে। তবে এসব রাজনীতি পরের কথা। আগে তো বলবো খুব সাধারণ করে যে – আপনাকে আমার ভালো লাগে। আমি কিন্তু লুইচ্চা না। আপনাকে ভালো লাগে শুধু। এই ভালো লাগাটা সুন্দর, স্বাভাবিক এবং শৈল্পিক! আপনি না হয় ক্যাম্পাসে জারুল হবেন, আর আমি হবো জারুলের বেগুনি রং!’
এই স্ট্যাটাসে উত্তরও দিয়েছেন সাদ্দাম হোসেইন।

সাদ্দাম লিখেছেন, ‘দেখা হলে কথা বল এবং সুন্দর, স্বাভাবিক ও শৈল্পিক চা খেয়ে যেও! রাজনীতি কর বা না কর, জীবনে ভালো কিছু কর। জারুলের বেগুনি রঙ দেখলে এরপরে তোমার কথা মনে পড়লেও পড়তে পারে! সুন্দর লেখা আর ভাবনার জন্য ভালোবাসা।’