এতিম শিশুদের প্রতি প্রবাসীর ভালবাসা, ৩০ শিশুকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

শফিকুল ইসলাম মিন্টু শফিকুল ইসলাম মিন্টু

গৌরীপুর উপজেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:০৭ অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২১ | আপডেট: ৯:০৭:অপরাহ্ণ, মে ১১, ২০২১

বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময় প্রবাসী হাফেজ মো. আবুল কাশেম আনসারীর এতিম শিশুদের প্রতি ভালোবাসার কমিতি নেই। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি এতিম শিশুদের নিয়ে ভাবেন। তাঁর এই ভাবনার বহিপ্রকাশ হিসেবে একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আর তা হলো, তিনি প্রতি মাসে ৪৮ হাজার টাকা করে এতিম শিশুদের সহযোগিতার জন্য পাঠান।

হাফেজ মো. আবুল কাশেম আনসারীর ২০১৮ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। ৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে থাকেন প্রবাসে। তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বড়ভাগ গ্রামের মরহুম হাফেজ জহর আলীর পুত্র।

তিনি নিজ উপজেলাসহ পার্শবতী উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১০টি পরিবারে ৩০ জন এতিম শিশুকে সহযোগিতা করে আসছেন। তিনি প্রতিমাসে এই শিশুদের জন্য ৪৮ হাজার টাকা করে সৌদি আরব থেকে পাঠাচ্ছেন। উক্ত টাকা কাশেম আনসারী ছেলে হাফেজ শফিক, ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও বাংলা বাজার বায়তুন নূর মসজিদের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি এতিম শিশুদের হাতে তুলে দেন।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতে নি¤œ আয়ের মানুষের জীবিকার নির্বাহ খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। এই করোনা মহামারিতে এতিম শিশুদের প্রতি তাঁর এই মহৎ উদ্যোগকে এলাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে।

বাংলা বাজার বায়তুন নূর জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি বলেন, ৫ মাস ধরে কাশেম আনসারী সাহেব সুদূর সৌদি আরব থেকে এতিম শিশুদের সহযোগিতার জন্য প্রতি মাসে ৪৮ হাজার টাকা করে দিয়ে আসছেন। উনার এই মহৎ উদ্যোগকে আমি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই। আমি মনে করি আমাদের সমাজের ভিত্তবানদের এমন মহৎ কাজে অংশ করা দরকার। তাহলে সমাজের এতিম শিশুরা অনেক উপকৃত হবে।

কিসমত বড়বাগ গ্রামের শিল্পী আক্তার বলেন, আমার স্বামী সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর দুইটি সন্তান নিয়ে খুব অসহায় অবস্থায় ছিলাম। হাফেজ মো. আবুল কাশেম আনসারীর সহযোগিতায় এতিম শিশুদের নিয়ে এখন চলতে পারছি। আল্লাহ উনার ভাল করুক।