এবার হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভে সংহতি জানালেন ট্রুডো

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০ | আপডেট: ১২:৫৯:অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে পুলিশি হেফাজতে কৃষাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যা ও বিশ্বজুড়ে বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে কানাডায় আয়োজিত একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

শুক্রবার রাজধানী অটোয়ায় পার্লামেন্ট হিলের বিক্ষোভে কালো মাস্ক পরে হাজির হন তিনি। এসময় তিনি মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন ট্রুডো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এখবর জানিয়েছে।

ট্রুডোর সংহতি জানানোর ঘটনা ঘটলো যখন ওই দিন আগে তিনি বিক্ষোভে অংশগ্রহনের বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভে হাজির হন। এসময় তার সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন।

শুক্রবারের বিক্ষোভ আয়োজন করে ‘নো পিস আনটিল জাস্টিস’ নামের একটি সংগঠন। প্রতিবাদকারীরা ৯ মিনিট নিরবতা পালন করেন। মিনিয়াপলিশের পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চৌবিন ৯ মিনিট জর্জ ফ্লয়েডের গলায় হাঁটু চাপা দিয়েছিলেন।

এই নীরবতা পালনের সময় অনেক বিক্ষোভকারী হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে পড়েন। কানাডার প্রধানমন্ত্রীও তাতে যোগ দেন।

বিক্ষোভে কথা বলেননি কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তবে অন্যদের বক্তব্যে মাথা নেড়ে ও হাত তালি দিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন।

এক বক্তা প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে মাইকে বলেন, হয় তুমি বৈষম্যের বিপক্ষের লোক না হয় তুমি বর্ণবাদী। এই দুইয়ের মাঝখানে কোনও অবস্থান নেই।

তখন ট্রুডো হাত তালি দিয়ে সমর্থন দেন। আরেক বক্তা ভালোবাসা ও ন্যায়বিচারকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার কথা বললে অন্য বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তিনিও ‘আমিন’ বলেন।

বিক্ষোভকারীরা ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করলে হাত তালি দিয়ে সেই স্লোগানের প্রতি সমর্থন জানান ট্রুডো।

এদিক ডাউন টাউন টরন্টোতেও একই দৃশ্য দেখা যায়। তবে সেখানে জাস্টিন ট্রুডো নন, টরন্টো পুলিশের প্রধান মার্ক সন্ডার্স হাঁটু গেড়ে বসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংহতি জানান।

বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে টরন্টোর পুলিশ-প্রধান বলেন, ‘আমি এবং পুরো পুলিশ প্রশাসন তোমাদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এসেছি।

বলতে এসেছি, আমরা তোমাদের কথা শুনছি। টরন্টোর পুরো পুলিশ তোমাদের পাশে আছে। আমাদের সবাইকে একসাথে থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই পরিবর্তন আনতে হবে।’

পুলিশের হাতে ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক হত্যার প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সব শহর উত্তাল। কার্ফু ভেঙে বিক্ষোভ করে মানুষ।