এমপিওভুক্তির বাছাই চূড়ান্ত: ঘোষণার অপেক্ষা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮ | আপডেট: ৪:৫৭:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগ স্ব-স্ব অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ ও বাছাইয়ের কাজ চূড়ান্ত করছে বলে জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সর্বশেষ ‘এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ অনুযায়ী যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন সম্পন্ন করে তালিকা চূড়ান্ত করে রাখবেন। সরকারের সিদ্ধান্তের পর জানানো হবে কত সংখ্যক প্রতিষ্ঠান এমপিও-সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে ঘোষণা হয়তো সরকার প্রধান থেকে আসতে পারে।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন। বর্তমান সরকারের সর্বশেষ এই অধিবেশনেই বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সুখবর পেতে পারেন নন-এমপিও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

তবে কত সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও-সুবিধা পাবে এখনো তা নিশ্চিত নয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নিরূপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজেট বরাদ্দের কর্তৃত্ব অর্থ মন্ত্রণালয়ের। অর্থ বিভাগ শর্ত জুড়ে দিয়েছে এমপিও নীতিমালায়। অর্থ বিভাগ বলেছে, সরকারের বাজেট বরাদ্দের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সব নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী একসঙ্গে এমপিওভুক্ত না করে নীতিমালা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ করতে হবে। এখানে একসঙ্গে শতভাগ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না করার ইঙ্গিত রয়েছে। এ কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শুধু বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করে রাখছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার দেবে।

এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ শুরুর পর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আনাগোনা বেড়েছে। প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন নিজ নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত হচ্ছে কিনা।

কোনো ধরনের তদবির করে অথবা আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়ে এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা যাবে না। অবশ্যই ওইসব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য হতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান বাছাই কমিটির প্রধান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, কারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে কিনা জানার জন্য বা আবেদন নিয়ে মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপের প্রয়োজন নেই।

এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রের হার্ডকপি কোনো কাজে লাগবে না। কারো তদবির ডিও লেটারের এখানে প্রয়োজন নেই। নীতিমালা অনুযায়ী মানদণ্ডের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ হলে সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানের নাম যোগ্যতালিকায় ক্রমানুসারে থাকবে।