এমপিওভুক্তির যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮ | আপডেট: ৪:৪৬:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮

টিবিটি শিক্ষাঙ্গনঃবেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য সাড়ে ৬ হাজার আবেদনের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরির এই প্রক্রিয়া। এরপর তা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রেরণ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এমপিওভুক্তির জন্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনে তৈরি হয়েছে যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা। সে অনুযায়ী এমপিওভুক্ত হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে অর্থ প্রাপ্তির ওপর নির্ভর করবে কতগুলো প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হবে। তবে সংসদীয় আসনের ভিত্তিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে বলে সূত্র জানায়।

গত ৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য সারাদেশের প্রায় ছয় হাজার ৪১২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক আবেদনও এসেছে। তার মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকপর্যায়ের আবেদন রয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে কারিগরি ও মাদরাসা এমপিওভুক্তির আবেদন কার্যক্রম। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রক্রিয়া। গত ২৬ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার কারিগরি ও মাদরাসা এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা পড়েছে। এ ক্ষেত্রে এক প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন এসেছে।

গত ১৪ জুন জারি করা এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী চারটি সূচকের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রেডিং করা হয়েছে। একাডেমিক স্বীকৃতিতে ২৫ নম্বর (প্রতি দুই বছরের জন্য পাঁচ নম্বর। ১০ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৫ নম্বর)। শিক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর ২৫ নম্বর (কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫ নম্বর।

এরপর ১০ শতাংশ বৃদ্ধিতে পাঁচ নম্বর)। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার জন্য ২৫ নম্বর (কাম্য সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫ ও পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য পাঁচ নম্বর)। পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের জন্য ২৫ নম্বরের (কাম্য হার অর্জনে ১৫ নম্বর ও পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশ পাসে পাঁচ নম্বর) গ্রেডিং করা হয়েছে। ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে এমপিওভুক্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষক সংগঠনগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে এমপিওবিহীন দেশের ৮ হাজার স্কুল ছিল, আর শিক্ষক ১ লাখ ২০ হাজার। কিন্তু আর্থিক সুবিধা না পাওয়ার কারণে গত ছয় বছরে ২ হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।