এয়ারএম্বুলেন্সে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হচ্ছে মুন্নিকে

শাফিউল কায়েস শাফিউল কায়েস

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৪:২২ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৯ | আপডেট: ৪:২২:অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নার্সের দেয়া ভুল ইনজেকশনে অসুস্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মরিয়ম সুলতানা মুন্নিকে শহীদ শেখ নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে নেওয়া হচ্ছে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে। ২৪ ঘন্টা পার হলেও এখনো জ্ঞান ফেরেনি মুন্নির।

মঙ্গলবার (২২ মে) গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নার্সের দেয়া ভুল ইনজেকশনে তার এই অবস্থা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

এ ব্যাপারে ঐ ছাত্রীর চাচা জাকির হোসেন বিশ্বাস বাদী হয়ে ডা. তপন কুমার মন্ডল, নার্স শাহানাজ ও কুহেলিকাকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় গতকাল রাতেই একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্বজনরা জানান, পিত্তথলির পাথরজনিত কারণে মুন্নিকে ডাক্তার তপন কুমার মন্ডলের কাছে দেখানো হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ওই শিক্ষার্থীর অপারেশন করার দিন ধার্য ছিল। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের নার্স ওই ছাত্রীকে গ্যাসের ইনজেকশনের পরিবর্তে ভুল করে অজ্ঞান করার ইনজেকশন দিয়ে দেয়। এসময় ওই শিক্ষার্থী জ্ঞান হরিয়ে ফেলেন। পরে তাকে খুলনা আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক ড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। আশা করি মেয়েটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ওই নার্স দোষী হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, মুন্নী বশেমুরবিপ্রবি’র সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মোঃ মোশারফ হোসেনর মেয়ে।