ঐক্যের পথে আমরা একধাপ এগিয়ে গেছি : ফখরুল

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:০৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮ | আপডেট: ১০:০৬:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে ঐক্যের পথে আমরা একধাপ এগিয়ে গেছি। আমরা আশা করি, দ্রুত সেই ঐক্যকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব। শুধু একটি কারণে আজকে সবাই এখানে উপস্থিত হয়েছেন, সেটা হলো পরিবর্তন দেখতে চান, এই সরকারের পতন দেখতে চান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চান।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন- বাংলাদেশের মানুষকে নতুন পথ দেখাচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি তার ঐক্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আজকে জাতির এই চরম দুর্দিনে তিনি মুক্তির একটি পথ দেখিয়ে জনগণকে সামনে নিয়ে এলেন। এ জন্য ড. কামাল হোসেনকে ধন্যবাদ।

বিএনপি মহাসচিব বলেন- এই সরকারকে যদি আমরা সরিয়ে দিতে না পারি, জনগণের সরকার যদি প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, জনগণের ঐক্যের সরকার যদি প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, তাহলে এই দেশের স্বাধীনতা থাকবে না। মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।

সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন- আমাদের বিজ্ঞ আলোচকরা আজকে পরিষ্কারভাবে বলেছেন দেশে এখন দুঃশাসন চলছে। এই দুঃশাসন আমাদের স্বাধীনতার সব স্বপ্নকে ভেঙে খান খান করে দিয়েছে। আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষাগুলো ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে। আজকে হাজার হাজার মামলা দেয়া হয়েছে ৩ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। উদ্দেশ্য একটাই এই আন্দোলন থেকে বিরত রাখা এবং আগামী নির্বাচন থেকে জনগণকে দূরে রাখা।

তিনি আরও বলেন- আজকে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে যে দাবি এসেছে প্রায় সব দলগুলো দলের দাবি একই। তার প্রধান শর্ত হচ্ছে-এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে, নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং কোনোমতেই এই নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে না।
গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমীন।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান নূর হোসেন কাশেমী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ প্রমুখ।