ওবায়দুল কাদেরকে কোম্পানীগঞ্জে আসতে দেবনা : কাদের মির্জা

মানিক ভূঁইয়া মানিক ভূঁইয়া

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:৫১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২১ | আপডেট: ৯:৫১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২১
আবদুল কাদের মির্জা। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ওবায়দুল কাদের আজকে এখানে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছে।

ওবায়দুল কাদের তার দুর্নীতি বাজ স্ত্রীকে বাঁচানোর জন্য আজ ব্যস্ত। তার স্ত্রী বাঁচতে পারবে না, কোন সুযোগ নেই। আজকে সংবাদ পত্র গুলোর মুখ রুদ্ধ করে দিয়েছে। তাদেরকে কথা বলতে দিচ্ছেনা। তারা সত্য ঘটনা এখান থেকে উদঘাটন করেছে। সেটা ওবায়দুল কাদের প্রকাশ করতে দিচ্ছেনা। তার কি স্বার্থ। সে কি আমাদেরকে হত্যা করতে চায়। এটার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে বলে দিচ্ছি। ওবায়দুল কাদের তোমার পুলিশ সামলাও। তোমার এ প্রশাসন সামলাও বলে দিচ্ছি। তুমি জেলে নিবে হত্যা করবে। তোমাকে আমরা ভয় করিনা। তোমার খাইও না পরিওনা।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেইবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তোমার কারণে আমার একটা ভাই ফাঁসি দিয়ে মারা গেছে। আজকে তোমার স্ত্রী হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তোমার শ্বশুর পক্ষের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে। আমার কর্মীদেরকে চাকরি দিবে বলে ছিলে, আজকে একটা কর্মীরও চাকরি হয়নি। কোম্পানীগঞ্জে আজকে গ্যাস নেই। যে উন্নয়ন গুলো হয়েছে সেটা নেত্রীর কারণে হয়েছে। সারা বাংলাদেশে হয়েছে। এখানে কোন কাজ হয়নি।

কাদের মির্জা আরো বলেন, আমরা তাঁর বাসায় ঢুকতে পারিনা। আমাদেরকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। এত দুঃখজনক ঘটনা বাংলাদেশে আর কোন পরিবারে আছে কিনা সন্দেহ আছে। আমার বিরুদ্ধে পুলিশ, প্রশাসন লেলিয়ে দিয়েছে এটা কিসের ইঙ্গিত বহন করে। আপনি যত ষড়যন্ত্র করেন ওবায়দুল কাদের আমার মুখ বন্ধ করতে পারবেননা। গ্রেপ্তার করে কি করবেন গুলি করে মেরে ফেলবেন। আপনার অস্তিত্ব কোম্পানীগঞ্জের মানুষ একদিন শেষ করে ফেলবে। আপনাকেও ছেড়ে দেবে না। কোম্পানীগঞ্জের মাঠিতে এটার সমাধান যদি না হয় আপনি আসতে পারবেন না। প্রয়োজনে আমার রক্ত ঝরবে আমার পরিবারের সদস্যদের রক্ত ঝরবে। আপনাকে কোম্পানীগঞ্জের মাঠিতে আর আসতে দেবনা।