করোনাকালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সে ‘প্রণোদনা’ দাবি

প্রকাশিত: ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ, মে ৭, ২০২১ | আপডেট: ৪:৫১:পূর্বাহ্ণ, মে ৭, ২০২১
ছবি: সংগৃহীত

করোনাকালীন ‘প্রণোদনা’ হিসাবে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করার দাবি জানিয়েছে চাকরী প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৬ মে) শাহবাগে এক মানববন্ধনে এই দাবি জানায় তারা।

মানববন্ধনে চাকরিপ্রত্যাশীরা জানায়, প্রায় দেড় বছর হতে চলেছে অতিমারি করোনার জন্য উল্লেখযোগ্য সরকারি চাকরির সার্কুলার নেই, চাকরির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার মতো পরিবেশও নেই। সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা তাদের জীবন থেকে দুটি বছর হারাতে চলেছে। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ হওয়ায় দেড় লাখ মানুষ চাকরির পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ না পেয়েই বয়সের গণ্ডি অতিক্রম করবে। যে শিক্ষার্থীরা ২৬ বছর বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ করে সেই করোনা শুরুর সময় থেকে আশায় বসে আছে চাকরির পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবে, তারাও এই দেড় বছর হারাতে চলেছে। সরকারি নিয়ম অনুসরণের কারণে বেসরকারি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতে ৩০ বছরের বেশি এমন জনবল (অভিজ্ঞতা) নিয়োগ দেওয়া হয় না। ফলে বেসরকারি চাকরিতে ও সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারী চাকরিতে প্রবেশ বা আবেদনের বয়সসীমা ৩০ হলেও সহকারী বিচারকদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২, আবার বিসিএস স্বাস্থ্য তথা সরকারি ডাক্তারদের ক্ষেত্রেও ৩২। অন্যদিকে বিভিন্ন কোটার ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা ৩২ বছর পরিলক্ষিত হয়।

তারা আরও বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি না পেলে একটি দীর্ঘ জট তৈরি হবে যার ফলে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। চাকরিপ্রত্যাশীরা আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়টিতে সুদৃষ্টি দেবেন। এই হারিয়ে যাওয়া সময় ২ বছর প্রণোদনা হিসেবে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সকলের জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩২ বছরে উন্নীত করবেন।

চাকরিপ্রত্যাশী যুব প্রজন্মের পক্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাজিদ রহমান, তানভির হোসেন, রুবেল আহমেদ, আনোয়ার সাকিন সুমনা রহমান , তাসলিমা লিমা আব্দুল্লাহ আল মামুন, অক্ষয় রায় প্রমুখ।