করোনার মধ্যে শ্যুটিং, লঞ্চে আটকা পড়ে আছেন সিয়াম-পরীরা

টিবিটি টিবিটি

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২০ | আপডেট: ৬:১৫:অপরাহ্ণ, মার্চ ২৯, ২০২০

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। করোনার কারণে ইতিমধ্যেই ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে মানুষজন। সারা বিশ্বের মানুষের মতো দেশের মানুষও ভাইরাসটি নিয়ে আতঙ্কিত। করোনার কারণে ইতিমধ্যেই দেশের সরকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। বন্ধ হয়েছে সিনেমা হল, শুটিংসহ সকল সভা-সমাবেশ।

তবে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই সুন্দরবনে শুরু হয় ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং। আর গত ১৪ মার্চ থেকে এতে অংশ নেন সিয়াম আহমেদ, পরীমনি, আবু হুরায়রা তানভীর। সঙ্গে আরও আছেন ছবির ১৪ জন শিশুশিল্পীসহ প্রায় ৫০ জনের একটি সিনেমা ইউনিট। কথা ছিল, টানা ২৫ দিন শুটিং করে ঢাকায় ফিরবেন তারা।

কিন্তু করোনার কারণে পুরো শুটিং ইউনিট পড়েছেন বিপাকে। আটকা পড়েছেন লঞ্চে। প্রশাসন থেকে ঢাকায় ফেরার অনুমতিও মিলছে না।

তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ঢাকায় ফিরতেও পারছে না ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং ইউনিট।

এর আগে গেল বৃহস্পতিবার শুটিং বন্ধ করে ঢাকার পথে রওনা হয় ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং ইউনিট। মোংলা থেকে রওনা হয়ে বেশ কিছু দূর আসার পর পানখালীতে তাদের আটকে দেয় কোস্টগার্ড।

তারা জানায়, এত যন্ত্র ও মানুষ নিয়ে ঢাকায় ঢোকার জন্য পথে পথে বারবার অনুমতিপত্র দেখাতে হবে। তখন তারা যোগাযোগ করেন তথ্য মন্ত্রণালয়ে। এই মুহূর্তে নদীতেই থেমে আছে শুটিং দলটির নৌযান।

ছবির অন্যতম প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বঙ্গ বিডির পরিচালক মুশফিকুর রহমান জানান, তারা আর রওনা দেননি। রোববার মন্ত্রণালয় খুলবে। সেখানে আবেদন করার পর তারা অনুমতি দিলে সেটা নিয়ে তারা ঢাকায় রওনা হবেন। পাশাপাশি শুটিং ইউনিটবাহী লঞ্চের মালিকও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেবেন।

শিশুদের ভ্রমণের কাহিনি নিয়ে এই ছবির গল্প। ১৩ দিনে ছবির ৫০ ভাগের মতো কাজ হয়েছে। এখন ঢাকায় ফেরা নিয়েও দুশ্চিন্তা করছে পুরো ইউনিট। ছবির পরিচালক আবু রায়হান জানান, ‘যদিও ফিরতে পারি, লঞ্চ সদরঘাটে ভিড়লে আমাদের কোয়ারেন্টিনেও যেতে হতে পারে।’

সিয়াম-পরী ছাড়া আরও অভিনয় করছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, আজাদ আবুল কালাম, কচি খন্দকার, আশীষ খন্দকারসহ প্রায় ২০জন শিশু।