করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘন্টায় আরও ১২ বাংলাদেশির মৃত্যু

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২০ | আপডেট: ১১:০৫:পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২, ২০২০
সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় ভাইরাসের আরও ১২ বাংলাদেশি মারা গেছেন। এনিয়ে দেশটিতে বাংলাদেশিদের মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়াল ৫০ জনে। এর আগে, মঙ্গলবার করোনাভাইরাসে দেশটিতে ৮ বাংলাদেশির মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।

এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় ভাইরাসের আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছেন দেশটি। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৫ জন। মারা গেছেন ৫ হাজার ১১০ জন।

এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের ছোবলে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৮৪০ জনের শরীরে। এরইমধ্যে ২০৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৭ হাজার ২৭১ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়ার্ল্ডওমিটার বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।

আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩১৩ জন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ৫৮ হাজার ৮৩৫ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ৩৫ হাজার ৪৭৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

এখন পর্যন্ত এ ভাইরাস সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৭৫ জনের শরীরে। সেখানে মারা গেছেন ৫ হাজার ১১০ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইতালিতে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১০ হাজার ৫৭৪ জন।

সেখানে মারা গেছেন ১৩ হাজার ১৫৫ জন।ইতালির পরে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন স্পেন। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ১১৮ জন। মারা গেছেন ৯ হাজার ৩৮৭ জন।

ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় চীনে। সেখানে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৫৫৪ জন এবং মারা গেছেন ৩ হাজার ৩১২ জন।

এছাড়া জার্মানিতে ৭৭ হাজার ৯৮১ জন, ফ্রান্সে ৫৬ হাজার ৯৮৯ জন এবং যুক্তরাজ্যে ২৯ হাজার ৪৭৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইরানে। এখানে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৫৯৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৩৬ জনের।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৬ জন এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২ জন।