করোনা মৃত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০ | আপডেট: ৮:১০:অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হকের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানুর নামাজে জানাজা সোমবার বাদ জোহর মহানগরীর বায়তুল মোয়াজ্জম (গোরস্থান) জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। মন্ত্রীর ছেলে এটিএম মাজহারুল হক তুষার তার মায়ের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হকের স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু সম্মিলিত ঢাকায় সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাীন অবস্থায় সোমবার সকাল পৌনে আটটায় ইন্তেকাল করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে দুই মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

গত ১২ জুন মন্ত্রী ও তার স্ত্রীর কোভিড-১৯ পরীক্ষার পজেটিভ ফল আসে। পর দিন তাদের ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২১ জুন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেও তার স্ত্রী সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন। রবিবার তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চিকিৎসকরা লাইফ সাপোর্টে নিয়ে যান। সোমবার সকাল পৌনে আটটার দিকে মন্ত্রীর স্ত্রী লায়লা আরজুমান্দ বানু ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

লায়লা আরজুমান্দ বানু ১৯৪৯ সালের ৬ জানুয়ারি গাজীপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শেখ মোবারক জান এবং মাতার নাম লাল বানু। ১৯৭৪ সালের ১৬ এপ্রিল আকম মোজাম্মের হকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

তার মৃতুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর সিটি মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, সিমিন হোসেন রিমি এমপি, বেগম সামসুন্নাহার ভ‚ইয়া এমপি, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারউজ্জামান, কাপাসয়িা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রীনা পারভীন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।