‘কাউকে ভয় পাওয়ার আর কোনো কারণ নেই’: পাপন

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৫৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ১:৫৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের শেষ ম্যাচটা ছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জন্য বাঁচা মরার লড়াই। যে জিতবে চলে যাবে ফাইনালে। এদিন টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশ যথারীতি শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। মাত্র ১২ রানের মধ্যেই প্যাভিলিয়নে পেরেন সৌম্য, মুমিনুল ও লিটন।

দীর্ঘদিন পর দলে সুযোগ পেয়ে আবারও ব্যর্থ হন ওপেনরা সৌম্য সরকার। জুনাইদ খানের বলে দলীয় ৫ রানের মাথায় শূণ্য রানে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। এরপরই একটি চার মেরে বিদায় নিয়েছেন মুমিনুল। শাহীন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

এরপর মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মাদ মিথুনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ১৪৪ রানের অনবদ্য জুটিতে বড় স্কোরের ভিত্তি গড়ে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিমের ৯৯ রান আর মোহাম্মাদ মিথুন ৬০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ২৩৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

এরপর বাংলাদেশের দেয়া ২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশের জন্য দেয়াল হয়ে একাই দাঁড়িয়েছিলেন ইমাম উল হক। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে তার বিদায়ের পর, বাংলাদেশের জয়টা ছিল সময়ের ব্যাপার। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে ৩৭ রানের এক মহামূল্যবান জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে স্বস্তির জয়ে মাঠে নেমেই উদযাপনে অংশ নিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান এমপি। তিনি নিজে টাইগারদের বরণ করে নিলেন। আনন্দে জড়িয়ে ধরলেন মেহেদী হাসান মিরাজকে।

এরপর ম্যাচ উইনার মুশফিকুর রহিমের পিঠে হাত রেখে দর্শকদের জয়োধ্বনির জবাব দিলেন বিসিবি সভাপতি। শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে তখন লাল-সবুজের উৎসবটা হয়ে উঠেছে আরও রঙ্গিন। শুধুই বাংলাদেশ বাংলাদেশ ধ্বনিতে মুখর। ক্যামেরার ফ্লাশ জ্বলে উঠছে বারবার। অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য।

এরআগে বাংলাদেশ ২০১২ এবং ২০১৬ সালে নিজেদের মাঠে দুটি আসরের ফাইনালে উঠলেও স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইতে কি হতে যাচ্ছে প্রথমবার এশিয়া সেরা হওয়ার উৎসব?

এ বিষয়ে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘কাউকে ভয় পাওয়ার আর কোনো কারণ নেই আমাদের। এনিথিং ক্যান হ্যাপেন। হয়তো শক্তি কিংবা র‌্যাঙ্কিং ইত্যাদি দিক দিয়ে তারা আমাদের চেয়ে এগিয়ে কিন্তু আমাদেরও অনেক ম্যাচ উইনার আছে এখন। তারা নিজেদের দিনে কি করতে পারে এটা ক্রিকেট বিশ্ব দেখছে।’

পাপন জানান, খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্যাপ্টেন মাশরাফিকে ফোন করে ম্যাচ জয় এবং ফাইনালে ওঠার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভালো খারাপ সব সময়ই প্রধানমন্ত্রী দলের খোঁজ নেন। এটিও দলকে অনেক বেশি চাঙ্গা করে তোলে। কথাগুলো বলতে বলতেই পাপনের ডাক আসে প্রেজেন্টেশন এরিয়ায় যাওয়ার। এরপর পুরষ্কার তুলে দেন তিনি।