কাউখালীতে রাতে দুবৃর্ত্তের হামলা, নারীসহ আহত ৭

প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৫৭:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা: পিরোজপুরের কাউখালীর কুমিয়ান গ্রামে রাতে বাড়ির ভিতর ঢুকে দৃবৃত্তরা আতর্কিত হামলা চালিয়ে স্থানীয় মসজিদের খাদেম ও তার পরিবারের মহিলাসহ৭ জন মারাত্মক আহত এবং এ সময়বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে। সে খানে সকাল থেকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হামলায় আহতরা হলেন, মনির হাওলাদার(৩৫),আয়না বেগম(৬০),খাদিজা বেগম(৩৫)কে বরিশাল শেরে এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাস পাতালে বাকী ৪ জন আঃ মজিদ হাওলাদার (৬৫),রিপন (৩০),তাজেল(৫৫০,বেলায়েত(৩৫)কে কাউখালী সাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আমরাজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কুমিয়ান বায়তুল আকসা জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য মসজিদের পাশে সন্ধ্যা নদীতে ভিড়ানো জাহাজে মসজিদের খাদেম কুমিয়ান নিবাসী আঃ মজিদ(৬৫) চাঁদা কালেকশন করতে গেলে স্থানীয় বালু ও পাথর ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্রের ছেলেরা বাঁধা দেয় এবং খাদেম এর উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে বাক বিতন্ডতায়া জড়িয়ে পরে। পরে স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক মিমাংশা করে দেয়া হয়।

পরবর্তীতে ওই দিন(শুক্রবার)রাদ সাড়ে ১১টার দিকে গোপাল চন্দ্রের ছেলে সত্য চন্দ্র, ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র, সুধীর চন্দ্র, ও কালু চন্দ্রের নেতৃত্বে মসজিদের খাদেম আঃ মজিদ এর বাড়ীতে দলবদ্ধভাবে লাঠি সোটা আতর্কিত হামলা চালায় এতে একই পরিবারের নারীসহ ৭ জন পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।। এসময় হামলকারীরা বসতঘরও ভাংচুর করে। এ সময় বাড়ির লোকজনের ডাকচিৎকাওে গ্রামবাসী ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ আহতদেও উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, হামলার ঘটনায় কাউখালী থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র নামে এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।