কাছাকাছি নেপাল-চীন, বিপাকে ভারত

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৪:১৮:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮

টিবিটি আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নেপাল ভারতের একচেটিয়া বাণিজ্য আধিপত্য শেষ করতে চীনের সাথে সম্পর্ক জোরদার করছে।সম্প্রতি নেপালকে চারটি বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে চীন।এর ফলে নেপালে ভারতের একক আধিপত্য ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে।

শুক্রবার নেপাল সরকার এ তথ্য জানায়।খবর রয়টার্সের ।

নেপালের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে নেপাল চীনের তাইঝিন, শেনঝেন, লিয়ানয়ুগাং ও ঝানঝিয়াং বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। এ ছাড়া চীন নেপালকে তাদের লানঝো, লাহাসা ও সিগতসে স্থলবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

এছাড়া, শুক্রবার কাঠমান্ডুতে এক বৈঠকে নেপাল ও চীনের মধ্যে ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হয়।

ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী এ দেশটি জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্যও নেপালকে ভারতের বন্দর ব্যবহার করতে হয়।

কিন্তু কাঠমাণ্ডু ভারতের ওপর নির্ভরতা কমাতে চীনের বন্দর ব্যবহারের জন্য সুযোগ চেয়ে আসছিল। ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সীমান্ত সমস্যার কারণে বেশ কয়েক মাস ধরে নেপালে জ্বালানি ও ওষুধের সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এরপরই নেপাল ভারতের বিকল্প খুঁজতে থাকে।

একজন রপ্তানিকারক বলেন, চীনের বন্দর স্বচ্ছন্দে ব্যবহারের জন্য নেপালকে অবশ্যই যথাযথ অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। এসব ছাড়া বন্দর উন্মুক্ত করলেও কোনো লাভ হবে না। সাহায্য ও বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে এরই মধ্যে চীন নেপালে তাদের অবস্থান পোক্ত করে নিয়েছে। আর এর ফলে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তারকারী ভারত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

তবে ব্যবসায়ীরা মনে করছেন পরিকল্পনা অনুযায়ী চীনের সঙ্গে যুক্ত হতে গিয়ে নেপালকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হবে। কারণ তাদের চলাচল উপযোগী পর্যাপ্ত সড়ক নেই। এমনকি নেপাল সীমান্তে কাস্টসম অবকাঠামোও নেই। চুক্তি অনুযায়ী চারটি বন্দরের মধ্যে সবচেয়ে কাছেরটিও নেপাল সীমান্ত থেকে ১৬০০ কিলোমিটার দূরে।