কালিয়াকৈরে শিক্ষকদের ডাটা এন্ট্রির নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আলহাজ হোসেন আলহাজ হোসেন

কালিয়াকৈর(গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১ | আপডেট: ৯:২৩:অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১

কালিয়াকৈর উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের জন্য ডাটা এন্ট্রির নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ১২২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ শত শিক্ষক রয়েছে। করোনাকালীন সময়ে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষকদের বেতন ভাতা ইএফটি’র মাধ্যমে প্রদান করতে বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষকদের তথ্যসমূহ ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে প্রতি শিক্ষকদের দিতে হচ্ছে ২ শত টাকা । অথচ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা অফিসের দায়িত্বে বিনা খরচে শিক্ষকদের ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করে দেওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ডাটা এন্ট্রির কাজ করছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের হিসাব সহকারী আবু তাহের, মুরাদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম,বাহাদুরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আওলাদ হোসেন।

এ বিষয়ে মেদুলিয়া কান্দপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার জানান, আমার বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষকদের ইএফটির ডাটা এন্ট্রি করতে গিয়ে দুই শত টাকা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি ডাটা এন্ট্রির কাজ করে দিয়েছি তবে শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা নেই নাই।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমিতা ইসলাম জানান, ইএফটির বিষয়ে আমি মোবাইলে কোন তথ্য দিব না । আপনি অফিসে এসে কথা বলেন।

গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকতা মোফাজ্জল হোসেন জানান, ডাটা এন্ট্রির কাজে কোন প্রকার টাকা পয়সা নিতে পারবে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার(অর্থ) তাপস কুমার সরকার জানান, এ বিষয়ে কোন টাকা লেনদেন করা যাবে না। লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে কতৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।