কুমারখালীতে একফোঁটা বৃষ্টির আশায় বিশেষ নামাজ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১ | আপডেট: ৯:১৩:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১

মিজানুর রহমান নয়ন, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: চৈত্রের তাপদাহ শেষে বৈশাখের আগমন। মানুষের মনে একটু আশা বৈশাখে ঝড়বৃষ্টি হবে মাটঘাট খালবিল পানিতে ভরে উঠবে। প্রকৃতি সাজবে নতুন সাজে। আজ বৈশাখের ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আকাশে নেই মেঘর ঘনঘটা, নেই বৃষ্টি।

বৈশাখে ও চৈত্রের কঠোর তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত। বৃষ্টির অভাবে পানির লেয়ার নিচে নেমেগিয়ে উপজেলা জুড়ে। দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। পানির অভাবে সেচ কাজও ব্যাহত হচ্ছে। এবার অনেক সাফল্যের উৎপাদন লক্ষমাত্রা পুরনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে পানির অভাব।

তাই একফোঁটা বৃষ্টির আশায় মহান আল্লাহর দরবারে কুষ্টিয়া কুমারখালীতে বিশেষ নামাজ (ইসতিসকা) আদায় করেছে কয়েকশত মানুষ।

আজ সোমবার সকালে উপজেলার চর জগ্ননাথপুর গ্রামের ফসলের মাঠে অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ নামাজ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চর জগ্ননাথপুর গ্রাম জাসে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মওলানা ইদ্রিস আলী।

এ বিষয়ে আলহাজ্ব মওলানা ইদ্রিস আলী বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়াতে মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। তাপদাহে দেশের মানুষ সমস্যা ও দুঃখ কষ্ট হতে থাকলে বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ তার কাছে সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া সুন্নাত। আর চাওয়াকে আরবিতে ‘ইসতিসকা’ বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা।

তিনি একটি হাদিসের আলোকে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বৃষ্টির দোয়ার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি তোমার বন্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো।, আমরাও আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছি পানির জন্য। নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের উপর দয়া করবেন।