কুমিল্লার জোড়কাননে দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভিজিডি কার্ড ও চাল বিতরণ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১ | আপডেট: ৬:৪৪:অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১

মামুন মজুমদার,সদর দক্ষিন প্রতিনিধি: “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ,ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা সদর দক্ষিন উপজেলার ৫নং পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়ন পরিষদে ১১০ জন দুঃস্থ মহিলাদের মাঝে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণ করা হয়। এ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সদর দক্ষিন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার বলেন,অসহায় দুস্থ মহিলাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিমাসে ত্রিশ কেজি চাল বিতরণ করা হবে।পাশাপাশি দুঃস্থ মহিলাদের নিকট থেকে দুইশত টাকা করে সঞ্চয় হিসেবে নিয়ে দুইবছর মেয়াদ শেষে এককালীন দেওয়া হবে। যাতে করে সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।এ সময় তিনি পারিবারিক স্বচ্ছলতা ও সঞ্চয়ের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে বক্তব্য শেষ করেন।

৫নং পশ্চিম জোড়কানন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাসমত উল্লা হাসু’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আক্তার পুতুল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তানজুমা পারভীন লুনা,ইউআরসি ইন্সট্টাক্টর আব্দুল মতিন,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, সদস্য মোঃ জাফর আহম্মেদ, উপজেলা ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম চৌধুরী,৫নং পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুল করিম,জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহফুজুল হক মেম্বার,সদর দক্ষিন উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য মমিনুল ইসলাম লিটন, হুমায়ুন ইউপি সচিব মাসিকুর রহমান,ইউপি সদস্য মনির হোসেন,আব্দুর রহিম,হারুনুর রশিদ,জসিম উদ্দিন,হুমায়ুন কবির,সফিকুর রহমান,রানা,মনোয়ারা,হাজেরা,ছপলা বেগম।

এ কর্মসূচীতে আরো বক্তব্য রাখেনমহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তানজুমা পারভীন লুনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচি দুঃস্থ মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য দুই বৎসর ব্যপি বা ২৪ মাস প্রতি নারী প্রতি মাসে ৩০ কেজি খাদ্যশস্য ও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে । বর্তমানে সরকার ভিজিডি সংখ্যা প্রায় ৭,৫০,০০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় মহিলাকে সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা সদর দক্ষিন উপজেলায় ৭৩৯ জন দুঃস্থ মহিলাকে বিনামূল্যে ভিজিডি কার্ড ও চাল দেয়া হবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০১০ সালে সংশোধন করে বর্হিবিশ্বের সাহায্য ছাড়াই এ কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে।