কুমিল্লায় প্রাথমিক ও এবতেদায়ী সমাপনীতে পাশের হার ৯৮ ভাগ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ৯:২৮:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮
ফাইল ছবি

শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা প্রতিনিধি: জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। এ কারণে সকাল থেকে চিন্তিত শিশু শিক্ষার্থী ও তাদের মা বাবাও। তবে দুপুরের পরে স্কুল মাঠে শিশুদের হৈ-হুল্লুড় উচ্ছাস উল্লাসে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। স্কুলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাবা মায়েদের মুখে ফুটে তৃপ্তির হাসি। সন্তানের সফলতায় আনন্দিত বাবা মা প্রিয় সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফেরে। সোমবার দিনভর এমন আনন্দমুখর দৃশ্য ছিলো কুমিল্লার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোতে। এ বছর কুমিল্লা জেলায় প্রাথমিক ও এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে গড় পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ১৫ ভাগ।

কুমিল্লা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার ১৭ টি উপজেলায় ১লাখ ৯ হাজার ৮শ ৩৯ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ১৫ হাজার ৭শ ৪৩ জন অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে মোট ৬ হাজার ৩৮ জন শিক্ষার্থী ছাড়া বাকী সবাই পাশ করে। যার মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ৬শ’ ৫২ জন।
শিক্ষা সমাপনীতে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে অকৃতকার্য হয় ২ হাজার ৩১ জন এবং অনুপস্থিত ছিলো ৪ হাজার ৭ জন। মোট পাশের হার ৯৮ দশমিক ১৫ ভাগ। এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে সবচেয়ে বেশী পাশ করেছে বুড়িচং উপজেলায় ৯৯ দশমিক ৯৯ ভাগ, সর্বনি¤œ হোমনা উপজেলায় ৭৭ দশমিক ১৮ ভাগ।

এদিকে জেলার এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতেও পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ১০ ভাগ। এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে অংশগ্রহণ করে ১৫ হাজার ৭শ ৪৩ জন। যার মধ্যে ২৩শ ৬ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য ও অনুপস্থিত ছাড়া বাকী সবাই পাশ করে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭৩ জন। পাশের হার শতকরা ৯৮ দশমিক ১০ ভাগ। এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে বরুড়া,মেঘনা,তিতাস ও লালমাই উপজেলায় পাশের হার শতভাগ ।

চলতি বছর কুমিল্লা জেলার প্রাথমিক ও এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীতে ভালো ফলাফলের বিষয়ে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী জানান, অতীতের তুলনায় বর্তমানে বাবা মা-রা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারের তৎপরতা বৃদ্ধি মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক ও এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীর গড় ফলাফল ভালো হচ্ছে। এভাবে সরকারি প্রণোদনা ও বাবা মার সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে বার্ষিক ফলাফল ও প্রাথমিকে ঝড়ে পড়া শূন্যের কোটায় চলে আসা এখন সময়ের ব্যাপার হবে মাত্র।