কেন্দ্রের ভেতরে চলছে নকল, সাংবাদিকদের উপর চড়াও শিক্ষা কর্মকর্তা

প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫৬:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২১, ২০১৯
প্রতিকী ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় কেন্দ্রে নকলের অভিযোগ ওঠেছে ঢাকার ধামরাইয়ের জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে চড়াও হয়ে ওঠেন পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীন। তিনি উল্টো জানতে চান, ভেতরে যদি নকল করা হয় তাহলে সাংবাদিকদের কী?

আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ আছে, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীনের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের নকল করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

ধামরাই সদর ক্লাস্টারের দায়িত্বে আছেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীন। আজ বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার তার তত্ত্বাবধানে সাঈদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দীর্ঘলগ্রাম স্কুল, ভাড়ারিয়া স্কুল, সুলাবাড়ি স্কুল, মোরারচর স্কুল, তেতুলিয়া স্কুল, উত্তর তেতুলিয়া স্কুল, মালঞ্চ স্কুল, কাকরান স্কুল, চন্দ্র পাড়া স্কুলসহ ১৯টি স্কুলের পরীক্ষার্থীরা জামাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ধর্ম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

এসব স্কুলের বৃত্তি সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য পারভীন পরীক্ষার্থীদের নকল করার সুযোগ করে দেন। বিভিন্ন পরীক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

অভিভাবকদের তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে শাহনাজ পারভীনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন তিনি। পরীক্ষার্থীরা তার দেওয়া সুযোগে নকল করছে কি না জানতে চাইলে পারভীন বলেন, ‘ভেতরে নকল হইল কি-না তাতে সাংবাদিকদের কী? ভেতরে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ।’

এই উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার আচরণ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ। তারা জানিয়েছেন, শাহনাজ পারভীনের আচরণ খুবই খারাপ। তিনি শুধু কয়েকজন পরিক্ষার্থীর ওপর বিশেষ নজর রেখেছেন।

মালঞ্চ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিলি বেগম জানান, তার স্কুল আগে বৃত্তি পায়নি। তবে আশা করছি এবার বৃত্তি পাবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. তাজমুন নাহার এ ব্যাপারে বলেন, ‘বিষয়টি শুনে আমি দুঃখ পেয়েছি। আমি বিষয়টি তদন্ত করে দেখব।