কেশবপুরে বিএনপি’র কাউন্সিলরকে পরানো হলো মুজিবকোট, চাঞ্চল্য সৃষ্টি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৩৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১ | আপডেট: ৩:৩৮:অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১

কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে আবারো কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হওয়ায় সোমবার রাতে বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন বাবুকে মুজিবকোট পরিয়ে দিলেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এ সময় তার শ্বশুরবাড়ি উপজেলার মজিদপুরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তবে বিএনপি নেতাকে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মুজিবকোট পরানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলাব্যাপী শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের ভেতর তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আফজাল হোসেন বাবু গত রবিবার অনুষ্ঠিত কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পানির বোতল প্রতীকে ১ হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত উটপাখি প্রতীকের জাহাঙ্গীর আলম পান ২৬৫ ভোট। এ ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ১৮৫।

মুজিবকোট গায়ে পরানোর বিষয়ে আফজাল হোসেন বাবুর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ভোটে জেতার পর মজিদপুর এলাকায় চাচা শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে সোমবার রাতে তাকে ফুলের মালা দেওয়াসহ ভালোবেসে চাচা-শ্বশুর আতিয়ার রহমান মুজিবকোট পরিয়ে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার চাচা শ্বশুর সাবেক ইউপি সদস্য রেজাউল হক ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ মজিদপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি প্রায় ২৫ বছর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। গত বছর পৌর বিএনপির সাধারণ সমপাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এবার দলের হয়ে নির্বাচন করেনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি ভালো স্থান ও মর্যাদা পান তাহলে বিষয়টি বিবেচনায় আনবেন।

কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সমপাদক প্রভাষক আলাউদ্দিন জানান, পৌর বিএনপির কমিটি গঠন উপলক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনুষ্ঠানে আফজাল হোসেন বাবু উপস্থিত ছিলেন। তবে ওই সময় কোনো কমিটি গঠন করা হয়নি।

বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন বাবুর গায়ে মুজিবকোট পরানোর বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সমপাদক গাজী গোলাম মোস্তফা বলেন, যারা এ কাজটি করেছেন তারা ভালো করেননি। যদি কোনো আওয়ামী লীগের নেতা এর সঙ্গে জড়িত থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।