কোচ ছাড়াই পাকিস্তানে গেল জিম্বাবুয়ে দল

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:২৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০ | আপডেট: ৫:২৮:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০

তিন ম্যাচের আলাদা আলাদা ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আজ (মঙ্গলবার) সকালে পাকিস্তান পৌঁছেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। কিন্তু জাতীয় দলের সঙ্গে যাননি হেড কোচ লালচাঁদ রাজপুত। তাকে ছাড়াই পাকিস্তানের মাটিতে সীমিত ওভারের দুই সিরিজ খেলবে জিম্বাবুয়ে দল।

এক বিবৃতিতে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, হারারেতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কাছে লালচাঁন রাজপুতের পাকিস্তান সফরের জন্য ছাড় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিন্তু ভারতীয় নাগরিকদের জন্য দেশটির সরকার যে ভ্রমণ নির্দেশিকা দেওয়া আছে সে অনুসারে দূতাবাস অনুমতি দিতে রাজি হয়নি।

বিবৃতিতে রাজপুতের অনুপস্থিতির কথা জানানোর পাশাপাশি পাকিস্তান সফরে দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে বোলিং কোচ ডগলাস হন্ডো দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

৫৮ বছর বয়সী রাজপুত ভারতের জার্সিতে ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন, যার মধ্যে ৪টি ওয়ানডে ও ২ টি টেস্ট। ২০১৯ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়ার পর, ২০১৮ সালের আগস্টে তাকে পূর্ণকালীন প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। এর আগে ভারতীয় জাতীয় দলের কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টাইমস’ দাবি করেছে, কূটনীতিক কারণে ভিসা পাননি রাজপুত। সংবাদমাধ্যমটির দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বৈরি রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে তাকে ভিসা দেওয়া হয়নি। তবে কোন পক্ষ থেকে তাকে সফর সংক্রান্ত অনুমতি দেওয়া হয়নি তা নিশ্চিত জানা যায়নি। ‘ডেইলি মিরর’ দাবি করেছে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকেই নাকি ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এহসান মানির দাবি, তারা রাজপুতের জন্য ভিসার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নাকি রাজি হয়নি।

পাকিস্তান সফরের শুরুতে রাওয়ালপিন্ডিতে ৩টি ওয়ানডে খেলবে জিম্বাবুয়ে। এরপর লাহোরে গড়াবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

এর আগে চলতি মাসে শুরুতে জৈব সুরক্ষা বলয়ের ব্যবস্থাপনা দেখতে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন দুইজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, একজন নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং দুইজন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা। তাদের সবাইকে ইসলামাবাদের পৌঁছে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দু’বার করোনা পরীক্ষা করাতে হয়েছে। জিম্বাবুয়ে দলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মানা হয়েছে। তবে সফরকারী দলের ক্রিকেটারদের একবার দেশ ছাড়ার আগে এবং দ্বিতীয়বার পাকিস্তানে পৌঁছে করোনা টেস্ট করানো হয়েছে।

২০১৫ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তান সফরে গেল জিম্বাবুয়ে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর আইসিসির পূর্ণ সদস্য দল হিসেবে জিম্বাবুয়েই প্রথম পাকিস্তান সফরে গিয়েছিল।