কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এবারের ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম-২০২০’

প্রকাশিত: ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০২০ | আপডেট: ৪:৪৩:অপরাহ্ণ, জুন ১, ২০২০
ছবি: টিবিটি

বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে ইলেক্ট্রনিক্স ব্রান্ড এলজি বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম-২০২০’ উদ্বোধন করা হয়েছে। রাজধানীর গুলশানে এলজি বাংলাদেশের অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩১ মে, ২০২০ এর উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এলজি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ডি কে সন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির কর্পোরেট ব্র্যান্ডিংয়ের জনাব প্রধান হাসান মাহমুদুলসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এলজি বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছর ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ আয়োজন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এলজি বাংলাদেশ গত ২৭ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ফলোয়ারদের কাছ থেকে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে পাশে দাঁড়ানোর সামাজিক উন্নয়নমুলক পরিকল্পনা জমা দেয়ার জন্য আহ্বান জানায়। সেখান থেকে নির্বাচিত প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করবে বলে জানায় এলজি বাংলাদেশ।

এরপর সারাদেশ থেকে জমা পড়া প্রকল্প আবেদনগুলোর মধ্যে থেকে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম ২০২০’-এর প্রথম বিজয়ী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলার দক্ষিণ রেলিবাগানের নজরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন। এলজি বাংলাদেশ নজরুল ইসলামের ‘নিম্নবিত্ত ১৭৪টি পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিছন্নতা’ বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা (চার লাখ চল্লিশ হাজার টাকা) প্রদান করে। এ প্রকল্পের আওতায় নিম্নবিত্ত ১৭৪টি পরিবারকে ২৫ কেজি চাল, ৫ কেজি ডাল, ৫ লিটার তেল, ২ কেজি আটা, ২ কেজি আলু, ১ কেজি লবন ও ২ পিস সাবান প্রদান করা হবে।

এলজি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ডি কে সন বলেন, “কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে সামাজিক উন্নয়নমুলক পরিকল্পনা পাশে দাঁড়িয়েছে এলজি বাংলাদেশ। এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম ২০২০-এর জন্য এলজি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আরো প্রকল্পের আহ্বান জাননো হয়েছে। নতুন করে প্রকল্পের ধারণা জমা দেয়ার শেষ তারিখ ৩০ জুলাই পর্যন্ত।”